👁 165 Views

ঘোড়াঘাটে স্বল্প খরচে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতে ‘একাডেমি অব এক্সিলেন্স’*

 

আজহারুল ইসলাম সাথী ঘোড়াঘাট:-
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে শিক্ষা জাতির মেরুদ-কে মজবুত করার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে ‘একাডেমি অব এক্সিলেন্স’*। উপজেলার রাণীগঞ্জ বাজারে অবস্থিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সুনির্দিষ্ট পাঠ-পরিকল্পনা, অভিজ্ঞ শিক্ষকম-লী এবং নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, একাডেমিতে প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সকল বিষয় এক ছাদের নিচে পড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি একাডেমিক ভিত্তি শক্তিশালী করা।
একাডেমির পরিচালক মো. সাগর বলেন, “আমরা দেখেছি আমাদের এই এলাকার ছেলে-মেয়েরা সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে পিছিয়ে পড়ছে। দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা রসায়ন, জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত ও উচ্চতর গণিতের জন্য আলাদা আলাদা জায়গায় ছুটছে। এতে তাদের সময়ের অপচয়ের পাশাপাশি প্রতি মাসে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা খরচ হয়। এই খরচ কমানো এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্যই আমরা এই প্রতিষ্ঠান চালু করেছি। এখানে মাত্র ১০০০ টাকায় সব বিষয় পড়ানো হয় হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা শুধু পাঠদানই করাচ্ছি না, পিইসিই, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করছি। নিয়মিত মডেল টেস্ট ও রিভিশন ক্লাসের মাধ্যমে পরীক্ষার ভয় দূর করে বোর্ড পরীক্ষার জন্য আত্মবিশ্বাসী করে তোলা হচ্ছে।”

একাডেমির শিক্ষক সঞ্জয় বলেন, “আমাদের নাইট কোচিং-এর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীরা যেন বাড়িতে গিয়ে পড়ালেখা নিয়ে কোনো জটিলতায় না পড়ে। ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শেষ করিয়ে দেওয়া হয়। এভাবেই আমরা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।”

শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া
একাডেমিতে পড়ে আসা ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুদ্র পোদ্দার বলেন, “আগে পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, রসায়ন দেখে ভয় লাগতো। কিন্তু এখানে নিয়মিত ক্লাস করার পর সেই ভয় কেটে গেছে। এখন আমি অনেক দক্ষ এবং যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি।”

একই শ্রেণির মোছা. জেরিন আক্তার বলেন, “এসএসসি সিলেবাস অনেক বড়। শিক্ষকেরা প্রতিটি অধ্যায় যেভাবে বুঝিয়ে দেন তাতে আমাদের বেসিক অনেক শক্তিশালী হচ্ছে। এটা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রস্তুতিতে অনেক সাহায্য করছে।”

সাফল্য
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী একাডেমি অব এক্সিলেন্স ঘোড়াঘাট উপজেলায় প্রাইভেট সেন্টারের মধ্যে ১ম এবং স্কুল ও প্রাইভেট সেন্টারের মধ্যে ২য় স্থান অর্জন করেছে। এ বছর এই একাডেমি থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

দক্ষ পরিচালনা, অভিজ্ঞ শিক্ষক ও পড়াশোনার ইতিবাচক আবহের কারণে অল্প সময়েই রাণীগঞ্জ বাজারের ‘একাডেমি অব এক্সিলেন্স’*স্থানীয় শিক্ষার্থীদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *