👁 140 Views

রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ বন্টনে কোনো অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না – ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (এমপি)

মোঃ রিয়াজ জেলা প্রতিনিধি। “শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে”, বাউফলে অসহায় ও দুস্থ “৩শ” পরিবারের মাঝে শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (এমপি)।সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে বলেন, “রাষ্ট্রীয় বরাদ্দে কোনো অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না।”
তিনি বলেন, “দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ বন্টন করতে হবে। দুর্নীতি, অনিয়ম, দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি বরদাস্ত করা হবে না।”
তিনি আরো বলেন, “জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বে থাকলে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দের এক পয়সাও তছরুপ হবে না। জনগণের জন্য যা বরাদ্দ হয়, তাই জনগণের মাঝে সমানভাবে বন্টন করা হবে। রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ বন্টনে কোনো ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম, দলীয়করণ, আত্মীয়করণ কিংবা স্বজনপ্রীতি জামায়াত ইসলাম করে না, করতে দেবে না।”
শনিবার “(১৭ অক্টোবর)” সকালে বাউফল উপজেলা সম্মেলন কক্ষে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সুবিধাভোগী ৩শ পরিবারের মাঝে শাড়ি বিতরণে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি, “উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উদ্দেশে বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বিগত “৫৫” বছর যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল তারাই হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানদের এদেশে “সংখ্যালঘু” আখ্যায়িত করেছে।”
তিনি আরো বলেন, “সরকার নাগরিকদের জাতিগত বিভাজন সৃষ্টি করে, সমাজে এক ন্যক্কারজনক বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। জামায়াতে ইসলামী জাতিগত বিভাজনে “সংখ্যালঘু” ও সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিশ্বাসী নয়। জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে, সমাজের প্রতিটি মানুষ নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের কাছে এক এবং অভিন্ন।”
সরকারের ব্যর্থতা ও সিস্টেমের কারণে মন্দির পাহারা দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে, “ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ” (এমপি) বলেন, জামায়াতে ইসলামী সিস্টেমের পরিবর্তন চায়। সিস্টেমের পরিবর্তনের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “রাষ্ট্র সংস্কার হলে হিন্দুদের পূজা বা উৎসব পালন করতে পাহারা দিতে হবে না। মসজিদ যেভাবে পাহারা দিতে হয় না, মন্দির, গির্জাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ও পাহারা দিতে হবে না। তাই রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কারের জন্য দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হতে তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানান।”
“বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে”, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে, প্রাপ্ত “৩শ”  শাড়ি উপজেলা অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র, “৩শ” পরিবারের মাঝে বিতরণী অনুষ্ঠানে, বাউফল উপজেলা আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।”