👁 16 Views

নওগাঁয় বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনে ভোগান্তির অভিযোগ 

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ  নওগাঁ বিআরটিএ কার্যালয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরসাইকেলরেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে সেবাপ্রত্যাশীদের নানা রকম হয়রানি ও নানা ঝামেলায় পড়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের শ্রেণি নিয়ে আবেদনকারীদের নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে।

সেবাপ্রত্যাশী মোঃ মামুনুর রশিদসহ অনেকেই জানান, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং লাইসেন্সের শ্রেণি সম্পর্কে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই পরিষ্কার নির্দেশনা দিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা কম হচ্ছে।
  নওগাঁ বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক (এমভিআই)  মোঃ শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়ায় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দেখানো গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অনলাইনে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের যাবতীয় কাগজপত্র সংযোজন করার পূর্বে পরের আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত সনদ দেখাতে হবে এতে করে সেবা প্রত্যাশীকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে ও পরীক্ষার বোর্ডে বিভ্রান্তি  সৃষ্টি হবে না।
তিনি আরো জানান ,  ড্রাইভিং পরীক্ষায় অনেক আবেদনকারী অষ্টম শ্রেণি পাসের সার্টিফিকেট অনলাইনে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করেছে।  কিন্তু পরীক্ষার বোর্ডে দেখা যায়, কেউ কেউ নিজের নাম লিখতে পারলেও অন্য কোনো লেখা পড়তে পারেন না। এতে বোর্ডের সদস্যদেরও বিব্রত হতে হয়।
ভাইভা বোর্ডে আবেদনকারীকে পড়তে বলা হলে অনেকেই পড়তে বললে পড়তে পারেন না বলে স্বীকার করেন। ফলে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ অনলাইনে সংযোজন করা থাকলেও বাস্তবে আবেদনকারীর পড়াশোনার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
তিনি বলেন, জনগণকে ভোগান্তিতে না পড়তে হয় সেই কারণে পরামর্শ মূলক কথা বলেন“ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স। অনলাইনে অনুমোদনের আগে আবেদনকারীকে স্কুল সার্টিফিকেট দেখানো বাধ্যতামূলক এতে করে আমাদের ভোগান্তি কমবে তেমনি জনগণের ভোগান্তি কমে যাবে ।”
অন্যদিকে, মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রেও ড্রাইভিং লাইসেন্সের শ্রেণি নিয়ে শর্ত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মোটরযান পরিদর্শকের বক্তব্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট ড্রাইভিং লাইসেন্সে মোটরসাইকেল চালানোর অনুমোদন বা শ্রেণি উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক থাকতে হবে।
তবে এসব নিয়মকানুন সম্পর্কে অনেক সেবাপ্রত্যাশী আগে থেকে পরিষ্কারভাবে না জানায় বিআরটিএ কার্যালয়ে এসে তাঁদের সেবা গ্রহণকারীকে ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *