👁 190 Views

সিরাজগঞ্জে  শিক্ষার্থীকে বিয়ে করলেন কলেজ শিক্ষক, কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শিক্ষার্থীর স্বামী 

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি  : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা এলাকার ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের এক শিক্ষার্থীকে বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও তার স্বামী দাবি করা ব্যক্তির  বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। এ ঘটনাকে ঘিরে কলেজ ক্যাম্পাসেও অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্যে  উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানাযায়, ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং উল্লাপাড়া উপজেলার আমডাঙ্গা এলাকার শামছুল হক ভূঁইয়ার মেয়ে স্বর্ণা খাতুনকে গত ১৯ জুন বিয়ে করেন একই কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মনোয়ারুল ইসলাম।
অভিযোগ উঠেছে, কলেজে পড়াশোনার সূত্র ধরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে তা বিয়েতে গড়ায়।
এদিকে উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য মো. মুরাদ হোসেন দাবি করেন, প্রায় দুই বছর আগে স্বর্ণা খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীকে ফুসলিয়ে নিয়ে ওই শিক্ষক বিয়ে করেছেন।
এ ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ওই ব্যক্তি কলেজের অফিস কক্ষে এসে কান্নাকাটি করলে সেখানে উপস্থিতদের মধ্যে আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক মো. মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এসব বিষয়ে সামনাসামনি কথা বললে ভালো হয়৷ আমি আপনার সাথে পরে কথা বলছি। আমার বড় ভাই আপনাদের সাথে কথা বলবে৷
অধ্যাপকের বড় ভাই মো. লিটন বলেন, স্বর্ণার আগে কোনো বিয়ে হয়নি৷ স্বামী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিটি ফ্রট । আমরা পারিবারিকভাবে বিয়ে দিয়েছি।
ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহেদ আলী বলেন, মেয়েটি অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করে। সে প্রেম করতেই পারে। বিয়ে করেছে কিনা, আমি এসব জানিনা৷
তবে এঘটনায় অন্যান্য মেয়ে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিভাবকদের দাবি কলেজে যদি শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সাথে এরকম অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং পরে তা বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় তাহলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে  এবং  শিক্ষকদের নৈতিক অবক্ষয় ঘটচ্ছে। তাই এলাকারবাসী ওই শিক্ষক এবং  শিক্ষার্থীকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *