👁 444 Views

গ্রীনফিল্ড স্কুলে বিতর্কিত শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে প্রশ্ন, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা

পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গ্রীনফিল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর ভর্তি এবং তাকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগকে কেন্দ্র করে সচেতন মহলে আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের সঙে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে ঘিরে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ প্রচলিত রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
তাদের প্রশ্ন, একটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। ভর্তি পরীক্ষাসহ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত শর্তগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।
অভিভাবকদের একটি অংশ বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদান ও পরীক্ষার ফলাফলের জায়গা নয়; এটি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, নিরাপত্তা ও সুস্থ মানসিক বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
 ফলে কোনো শিক্ষার্থীকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ উঠলে বিষয়টি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অভিভাবক সদস্য সুলতানা বলেন, “বিদ্যালয়ে কোনো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে—এমন কেউ বিদ্যালয়ে থাকলে আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি। বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।”
 প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে গ্রীনফিল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক শাহ সুলতান টিটু বলেন, “অভিযোগে উল্লিখিত শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে কি না, এ মুহূর্তে আমার জানা নেই। ভর্তি হওয়ার সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সব বিষয় জানা সম্ভব হয় না। তবে এ ধরনের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন নাগরিক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর ভর্তি প্রক্রিয়া, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে যথাযথ অনুসন্ধান করা হোক।
সাংবাদিক মতিন বলেন, এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *