
পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুরে সহকারী শিক্ষক কতৃক প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকারের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (২ আগষ্ট) গোপালপুর সঃপ্রাঃ বিদ্যালয়ে এঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিনব কৌশলে শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ধরাসহ শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতন চালান সহকারী শিক্ষক মাহফুজার রহমান মিথুন।
অভিযুক্ত মাহাফুজার রহমান মিথুন ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন।পড়া না পারায় প্রথম শ্রেণির এক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
ঘটনার খবর পেয়ে সংবাদকর্মীরা বিদ্যালয়টির অদূরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়িতে গেলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে জানায়, “পড়া না পারলে মিথুন স্যার সব সময় এভাবে পেট মুচড়ে ধরে কষ্ট দেন। আজ দুপুর একটার দিকে পড়া দিতে না পারায় স্যার এত জোরে পেটে চাপ দেন যে আমি সহ্য করতে না পেরে কেঁদে ফেলি।”
শিশুটি আরও অভিযোগ করে বলে, “এর আগেও একদিন পড়া না পারায় আমাকে বেঞ্চে শুইয়ে পেটে চাপ দিয়ে নির্যাতন করেছিলেন স্যার।”
নাম বলতে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেসকজন সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষক মাহফুজুর রহমান মিথুন স্থানীয় হওয়ায় সবসময় প্রভাব বিস্তার করে চলেন। শিক্ষক হিসেবে কোমলমতি বাচ্চাদের সাথে এমন অসভ্য আচরণ করা মোটেই সমুচিত নয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শারমিন আক্তারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, “আজ একটি অভিযোগ পেয়ে আপনারা এসেছেন, কিন্তু এর আগে বিদ্যালয়টি কত ভালো কাজ করেছে বা ভালো ফলাফল এনেছে, তখন তো আপনারা আসেননি।”
বিষয়টি নিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরজুমান আরা গোলেনুর জানান, সহকারী শিক্ষক মাহফুজুর রহমান মিথুনের বিরুদ্ধে এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টির তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্ত মাহাফুজার রহমান মিথুন ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন।পড়া না পারায় প্রথম শ্রেণির এক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
ঘটনার খবর পেয়ে সংবাদকর্মীরা বিদ্যালয়টির অদূরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়িতে গেলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে জানায়, “পড়া না পারলে মিথুন স্যার সব সময় এভাবে পেট মুচড়ে ধরে কষ্ট দেন। আজ দুপুর একটার দিকে পড়া দিতে না পারায় স্যার এত জোরে পেটে চাপ দেন যে আমি সহ্য করতে না পেরে কেঁদে ফেলি।”
শিশুটি আরও অভিযোগ করে বলে, “এর আগেও একদিন পড়া না পারায় আমাকে বেঞ্চে শুইয়ে পেটে চাপ দিয়ে নির্যাতন করেছিলেন স্যার।”
নাম বলতে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেসকজন সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষক মাহফুজুর রহমান মিথুন স্থানীয় হওয়ায় সবসময় প্রভাব বিস্তার করে চলেন। শিক্ষক হিসেবে কোমলমতি বাচ্চাদের সাথে এমন অসভ্য আচরণ করা মোটেই সমুচিত নয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শারমিন আক্তারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, “আজ একটি অভিযোগ পেয়ে আপনারা এসেছেন, কিন্তু এর আগে বিদ্যালয়টি কত ভালো কাজ করেছে বা ভালো ফলাফল এনেছে, তখন তো আপনারা আসেননি।”
বিষয়টি নিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরজুমান আরা গোলেনুর জানান, সহকারী শিক্ষক মাহফুজুর রহমান মিথুনের বিরুদ্ধে এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টির তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।