👁 566 Views

সভাপতির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রতিবাদ, উন্নয়ন কার্যক্রমের ব্যাখ্যা দিলেন বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের সভাপতি

মাদারীপুর প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের সভাপতি গোলজার আহম্মেদ চিশতীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে “অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন” উল্লেখ করে রবিবার (০২ আগস্ট) বিকেলে শহরের পানিছত্র এলাকার লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশন সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে গোলজার আহমেদ চিশতি জানান, গত ৩০ জুলাই জামিনুর হোসেন মিঠু একটি রেজুলেশনের উদ্ধৃতি দিয়ে সভাপতি, সদস্য সচিব ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এ ধরনের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এসময় এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, কলেজের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও আর্থিক ব্যয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যে বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।গত ২১ মে মাস থেকে বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর কলেজের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত করেন। এর মধ্যে কলেজের সামনের বেহাল রাস্তা সংস্কার, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় পাঠদান সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাঠাগার স্থাপন এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রাবাস নির্মাণের বিষয়গুলো ছিল অন্যতম।এসব সমস্যা মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার নজরে আনা হলে তিনি বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং কলেজ পরিদর্শন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে সম্মতি দেন। পরে গভর্নিং বডির সর্বসম্মতিক্রমে একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয় এবং অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যয় শেষে অবশিষ্ট অর্থ কলেজের অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সভাপতি গোলজার আহম্মেদ চিশতী দাবি করেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সকল ব্যয়ের ভাউচার, ক্রয় কমিটির স্বাক্ষরযুক্ত হিসাবপত্র এবং সংশ্লিষ্ট নথি কলেজের হিসাবরক্ষকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া কলেজের চারটি দাবির মধ্যে দুটি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট মোকাবিলায় আইইউপিএসের জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান এবং কলেজের সামনের রাস্তা নির্মাণে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়। বাকি দুটি দাবিও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতির শেষাংশে গোলজার আহম্মেদ চিশতী অভিযোগ করেন, সাবেক সভাপতি জামিনুর হোসেন মিঠুর দায়িত্বকালে তাঁর একক সিদ্ধান্তের কারণে কলেজ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ যথাসময়ে জনসম্মুখে উপস্থাপন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর ল কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষকমন্ডলী কলেজের পরিপূর্ণ কমিটির সদস্যরা।সভাপতির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রতিবাদ, উন্নয়ন কার্যক্রমের ব্যাখ্যা দিলেন বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের সভাপতি
মাদারীপুর প্রতিনিধি
বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের সভাপতি গোলজার আহম্মেদ চিশতীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে “অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন” উল্লেখ করে রবিবার (০২ আগস্ট) বিকেলে শহরের পানিছত্র এলাকার লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশন সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে গোলজার আহমেদ চিশতি জানান , গত ৩০ জুলাই জামিনুর হোসেন মিঠু একটি রেজুলেশনের উদ্ধৃতি দিয়ে সভাপতি, সদস্য সচিব ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এ ধরনের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এসময় এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, কলেজের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও আর্থিক ব্যয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যে বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।গত ২১ মে মাস থেকে বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর কলেজের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত করেন। এর মধ্যে কলেজের সামনের বেহাল রাস্তা সংস্কার, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় পাঠদান সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাঠাগার স্থাপন এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রাবাস নির্মাণের বিষয়গুলো ছিল অন্যতম।এসব সমস্যা মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার নজরে আনা হলে তিনি বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং কলেজ পরিদর্শন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে সম্মতি দেন। পরে গভর্নিং বডির সর্বসম্মতিক্রমে একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয় এবং অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যয় শেষে অবশিষ্ট অর্থ কলেজের অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সভাপতি গোলজার আহম্মেদ চিশতী দাবি করেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সকল ব্যয়ের ভাউচার, ক্রয় কমিটির স্বাক্ষরযুক্ত হিসাবপত্র এবং সংশ্লিষ্ট নথি কলেজের হিসাবরক্ষকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া কলেজের চারটি দাবির মধ্যে দুটি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট মোকাবিলায় আইইউপিএসের জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান এবং কলেজের সামনের রাস্তা নির্মাণে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়। বাকি দুটি দাবিও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতির শেষাংশে গোলজার আহম্মেদ চিশতী অভিযোগ করেন, সাবেক সভাপতি জামিনুর হোসেন মিঠুর দায়িত্বকালে তাঁর একক সিদ্ধান্তের কারণে কলেজ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ যথাসময়ে জনসম্মুখে উপস্থাপন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর ল কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষকমন্ডলী কলেজের পরিপূর্ণ কমিটির সদস্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *