
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শায়েস্তানগরীনোয়াখালী প্রতিনিধি: সেনবাগে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে আরাফাত হোসেন প্রকাশ ফাহিম (১৫)এক এসএসসি পরীক্ষার্থী স্কুল ছাত্র মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ৩ জন।
গতকাল বুধবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দেবিসিংহপুর গ্রামের সোমবারিয়া রাজার সংলগ্ন আঞ্জু মিয়াজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত মাদক ব্যবসায়ী ও ঘটনার মূলহোতা হারুনকে রাতেই সেনবাগ থানা পুলিশ আটক করে। এ ঘটনায় নিহতের মা পারভিন আক্তার বাদি হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
নিহত স্কুল ছাত্র আরাফাত হোসেন প্রকাশ ফাহিম পাশ্ববর্তী বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। ফাহিম স্থানীয় পৌর হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবিশিংপুর গ্রামে নানা বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
স্থানীীয় এলাকাবাসী ও নিহত ফাহিমের পরিবার সুত্রে জানাগেছে, সেনবাগ উপজেলার নবীপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি দেবীসিংহপুর গ্রামের হারুন মিয়, মমিন (২২) ও জাহাঙ্গীর (২৪) সহ তার সহযোগীরা ফাহিমের নানার বাড়ির উঠন ও চলাচলের পথ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন পর্যন্ত মাদক ব্যবসা করে আসছিলো। তারা ফাহিমের নানার বাডির পাশে প্রতিনিয়ত মাদকের আসর বসাতো।
গত কয়েকদিন আগে ফাহিমের মামা ও ওই বাড়ির লোকজন হারুন এবং তার লোকজনদেরকে তাদের বাড়ির উপর দিয়ে চলাচল না করার জন্য অনুরোধ জানান। কিন্তু অনুরোধ উপেক্ষা করে হারুন ও তার সহযোগীরা বুধবার রাতে মাদকের আসরে বসেন। এ সময় ফাহিমের নানার বাড়ির লোকজন তাদের মাদকের আসরে গিয়ে মাদক সেবীদের ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে মাদক সেবীরা পালিয়ে যায়।
পরে ফের কিছুক্ষণ পর মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবী হারুনের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা ফাহিমের নানার আঞ্জু মিয়াজী বাডিতে হামলা চালিয়ে ফাহিমসহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করে। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ফাহিমকে উদ্ধার করে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত পৌনে এগারোটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে রকিবুল ইসলাম রিফাত (২৩) ও শাকিব (২১) নামের আরো দুইজন আহত হয়। তাদেরকেও কে দ্রুত ২৫০ শয্যা নোয়াখালী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
এদিকে মাদক কারবারি হারুন নিজেও আহত হয় । পরে সে আহত অবস্থায় সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ ব্যাপারে সেনবাগ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুর রহিম সরকার বলেন, উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের সোমবারিয়া বাজার এলাকায় মাদক সেবনকালে বাধা দেওয়ার ঘটনা নিযে মাদকসেবীরা বাধাদানকারীদের উপরে হামলা চালায়। হামলায় একজনের মৃত্যু হয়েয়ছে ও আরো ৩জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা পারভিন আক্তার বাদি হয়ে ৭জন নাম উল্লেখ্য সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত প্রধান হামলাকারী হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
গতকাল বুধবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দেবিসিংহপুর গ্রামের সোমবারিয়া রাজার সংলগ্ন আঞ্জু মিয়াজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত মাদক ব্যবসায়ী ও ঘটনার মূলহোতা হারুনকে রাতেই সেনবাগ থানা পুলিশ আটক করে। এ ঘটনায় নিহতের মা পারভিন আক্তার বাদি হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
নিহত স্কুল ছাত্র আরাফাত হোসেন প্রকাশ ফাহিম পাশ্ববর্তী বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। ফাহিম স্থানীয় পৌর হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবিশিংপুর গ্রামে নানা বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
স্থানীীয় এলাকাবাসী ও নিহত ফাহিমের পরিবার সুত্রে জানাগেছে, সেনবাগ উপজেলার নবীপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি দেবীসিংহপুর গ্রামের হারুন মিয়, মমিন (২২) ও জাহাঙ্গীর (২৪) সহ তার সহযোগীরা ফাহিমের নানার বাড়ির উঠন ও চলাচলের পথ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন পর্যন্ত মাদক ব্যবসা করে আসছিলো। তারা ফাহিমের নানার বাডির পাশে প্রতিনিয়ত মাদকের আসর বসাতো।
গত কয়েকদিন আগে ফাহিমের মামা ও ওই বাড়ির লোকজন হারুন এবং তার লোকজনদেরকে তাদের বাড়ির উপর দিয়ে চলাচল না করার জন্য অনুরোধ জানান। কিন্তু অনুরোধ উপেক্ষা করে হারুন ও তার সহযোগীরা বুধবার রাতে মাদকের আসরে বসেন। এ সময় ফাহিমের নানার বাড়ির লোকজন তাদের মাদকের আসরে গিয়ে মাদক সেবীদের ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে মাদক সেবীরা পালিয়ে যায়।
পরে ফের কিছুক্ষণ পর মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবী হারুনের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা ফাহিমের নানার আঞ্জু মিয়াজী বাডিতে হামলা চালিয়ে ফাহিমসহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করে। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ফাহিমকে উদ্ধার করে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত পৌনে এগারোটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে রকিবুল ইসলাম রিফাত (২৩) ও শাকিব (২১) নামের আরো দুইজন আহত হয়। তাদেরকেও কে দ্রুত ২৫০ শয্যা নোয়াখালী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
এদিকে মাদক কারবারি হারুন নিজেও আহত হয় । পরে সে আহত অবস্থায় সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ ব্যাপারে সেনবাগ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুর রহিম সরকার বলেন, উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের সোমবারিয়া বাজার এলাকায় মাদক সেবনকালে বাধা দেওয়ার ঘটনা নিযে মাদকসেবীরা বাধাদানকারীদের উপরে হামলা চালায়। হামলায় একজনের মৃত্যু হয়েয়ছে ও আরো ৩জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা পারভিন আক্তার বাদি হয়ে ৭জন নাম উল্লেখ্য সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত প্রধান হামলাকারী হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।