
মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্য়ালয় যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান। মেলান্দহ থানার ওসি এটিএম মাহমুদুল হক। বনিক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল কবির শ্যামল তালুকদার,
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল কবির মঞ্জু ও নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কিসমত পাশা।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান বলেন,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্নের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক জ্যেষ্ঠ নারীপ্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তবে অতি দরিদ্র, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত পরিবারের নারী প্রধানেরা নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ভাতা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ করা প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে দেশের পরিবারগুলোকে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। শ্রেণিগুলো হলো অতি দরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।
পিএমটি স্কোর অনুযায়ী, ৮৬০ বা তার কম স্কোর পাওয়া নারীপ্রধান পরিবারগুলো ভাতা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। সব নারীপ্রধান পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেলেও প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিভুক্ত অর্থাৎ নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোই নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ভাতা পাবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্যভান্ডারের তথ্য সংগ্রহের জন্য ‘তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা-২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। ১২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে দেশব্যাপী একযোগে খানা বা পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করা যায়। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার পাশাপাশি কোনো পরিবার যেন ভুল তথ্যের কারণে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।#