
স্টাফ রিপোর্টার বগুড়াঃ
বগুড়ার বিএডিসির গোডাউন থেকে স্টোর ইনচার্জ রুহুল আমিন জানিয়েছেন বর্তমানে এই গোডাউনে ২১ হাজার ৫শ টন নন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। একই দৃশ্য চোখে পড়লো পাশের গোডাউনগুলোতে যেখানে সারি সারি করে রাখা আছে ইউরিয়া সার ।
সেখানকার গোডাউন ইনচার্জ আহসান হাবিব দেখালেন তার গোডাউনের ৬ হাজার ৭৪৭ মেট্রিকটন টিএসপি- পতেঙ্গা-ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। বাজারে যে সমস্যা কৃষকদের কাছে সংকট হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে তার জন্য দায়ী অসাধু ডিলাররা ।
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এই ডিলাররা সাধারণ কৃষকদের কাছে সার না থাকার গল্প চালিয়ে সারের দাম বাড়িয়ে ফায়দা লুটছেন আর প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ কৃষক।
পাশাপাশি সারের দাম বেশি নিলেও কৃষকরা মেমো চাইলে সরকারি দাম লিখে মেমো দিচ্ছে। তবে সারাদেশে সরকার চিরুনি অভিযান শুরু করেছে এবং কালোবাজারিদের তালিকাও গোপনে তৈরি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও ডিলার লাইসেন্স বাতিলের মত পদক্ষেপও নিয়েছে।
বিএডিসির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে সারের বস্তায় সরকারি মুল্য লেখা আছে এর বাহিরে যদি কোন ডিলার দাম নেয় তাহলে সারের বস্তায় লেখা হট লাইনে সরাসরি কৃষক অভিযোগ করলে তাৎকষনিক সেই ডিলারের বিরুদ্ধে সরকার আইনী পদষকেপ নেবে।
বেশ কিছুদিন ধরেই দেশের অনেক এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকট দেখা দেয় । আর কৃষকদের বলা হয় যে সার কম পাওয়ায় সেগুলো বিক্রি করে দেয়া হয়েছে দোকানে আর সার নেই ! তবে খোজ নিয়ে দেখা গেছে ডিলারের কাছে পর্যাপ্ত সার আছে কিন্ত টাকা বেশী দিলেই তবেই মিলছে সার , তবে মেমোতে বাডতি টাকা না লিখে সরকারী মুল্য লিখে তারা নিজেদের আখের গোচাচছেন আর কৃষক হাহাকার করছেন সারের জন্য।
সরেজমিনে বগুডা শহরের তিনমাথা এলাকায় বিএডিসির গোডাউনে গিয়ে দেখা যায় যে বৃহৎ আকারের সবগুলো গোডাউনেই সারের বসতা দিয়ে ভরা। পাশাপাশি আগামী সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ডিলারদের মাঝে আগাম বরাদ্দও দেয়া হচ্ছে যা ডিলাররা যার যে এলাকা তারা নিয়ে যাচ্ছেন।