
সভার শুরুতে সমিতির সভাপতি ডা. মমতাজ বেগম পলী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান নিউ-এর নেতৃত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সিভিল সার্জনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং শুভকামনা ব্যক্ত করেন।
সিভিল সার্জন বলেন, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারও দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ফলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা, প্রচলিত আইন এবং সরকারি বিধি-বিধান শতভাগ অনুসরণ করে পরিচালিত হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ক্লিনিকে নিবন্ধিত চিকিৎসকের উপস্থিতি, দক্ষ জনবল, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপদ চিকিৎসা পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ, আন্তরিক সেবা এবং পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখার কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যসেবার নামে প্রতারণা, অব্যবস্থাপনা বা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতবিনিময় সভায় সমিতির নেতৃবৃন্দ জেলার বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরেন। তারা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার, সেবার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহসভাপতি মো. আনোয়ারুল কবির, মো. জাকির হোসেন, দিলাওয়ার হোসেন শাহ ও মো. শামীম কবির; সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মমিনুর রহমান বাপ্পি, মো. আতিকুর রহমান আতিক ও মো. বজলুর রশিদ বুলু; দপ্তর সম্পাদক বিশ্বজিৎ কুমার রায় বকুল; প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক চন্দন কুমার অধিকারী (ভোলা); সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. নুর ইসলাম সাগর; ক্রীড়া সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র রায়; সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার সেলিম; অর্থ সম্পাদক তোফায়েল আহম্মেদসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে জেলার স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক উন্নয়নে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ।