
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ নিতে গিয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার মহাদিঘী গ্রামের একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আতিকুর রহমান সুজাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (২রা জুলাই’২৬) সকাল ১০টায় অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় এলাকাবাসী এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
গ্রেপ্তার আতিকুর রহমান সুজা মহাদিঘী গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে ও মহাদিঘী গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি (CHCP) হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই শিশুর বাবা-মা ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করে সেখানে সে তার মা-বাবার সাথে ঢাকায় থাকতো। গত ঈদে তার মা-বাবা বাড়িতে এসে তাদেরকে তার দাদা দাদির কাছে রেখে যান। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ওই শিশু তার ছোট ভাইকে সাথে নিয়ে স্থানীয় মহাদিঘী কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ নিতে যায়। ওই সময় ক্লিনিকে সিএইচসিপি হিসেবে দায়িত্বরত আতিকুর রহমান সুজা কৌশলে তার ছোট ভাইকে কক্ষের বাইরে বের করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা করে। এরপর বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। বাড়িতে ফিরে ভুক্তভোগী শিশুটি পরিবারের লোকজনের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। এর পর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযানে চালিয়ে পার্শ্ববর্তী রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার ঝিকড়া গ্রাম থেকে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান সুজাকে গ্রেপ্তার করে।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে গতরাতে আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।