👁 90 Views

মতলীতে ডিজিটাল ভূমি জরিপে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানবন্ধন কর্মসূচী পালন

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।। আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামে ডিজিটাল ভূমি জরিপে ঘুষ দাবী, অনিয়ম ও কর্মকর্তাদের দুর্নীতির প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় আরপাঙ্গাশিয়া বাজারে ঘন্টাব্যাপী এক মানবন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। মানবন্ধন কর্মসূচীতে শতাধিক কৃষক অংশগ্রহন করেন।
আমতলী উপজেলা সেটেলমেন্ট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আরপঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৩৩ নম্বর তারিকাটা মৌজায় ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর ডিজিটাল জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়। শুরু থেকেই সেটেলমেন্ট অফিসে নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ভূমি মালিকরা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ নেওয়ার মাধ্যমে এক জনের জমি অন্য জনের নামে নাম জারি কওে দেওয়ার অভিযোগ করে আসছে। বর্তমানে এই অভিযোগ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং তা বন্ধ করার দাবীতে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় তারিকাটা গ্রামের শতাধিক কৃষক আরপাঙ্গাশিয়া বাজারে ঘন্টাব্যাপী এক মানবন্ধন কর্মসূচী পালন করে। স্থানীয় কৃষক মো. জাকির হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে মানবন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক মো. সরোয়ার হোসেন হাওলাদার, মো. জাফর হোসেন বিশ^াস, মো. কামাল মৃধা, মো. হযরত আলী ও মো. রব শরীফ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আমতলী উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের ডিজিটাল ভূমি জরিপের সাথে নিযুক্তরা ব্যাপক দুর্নীতিজবজ। ঘুষের বিনিময়ে তারা এক জনের জমি অন্যেও নামে রেকর্ড করে দেয়। আবার তারা ১টি খাতিয়ানকে ভেঙ্গে ১শ’ খমিয়ান নম্বর ফালায়। তা আবার সংশোধনের জন্য গেলে মোটা অংকের টাকা দাবী করে। এই অফিসের টাকা ছাড়া কোন কাজ করা যায় না।
তারিকাটা গ্রামের ভূক্তভোগী কৃষক মো. জাফর বিশ^াস বলেন, আমার ৮টি খমিয়ার ভেঙ্গে ৪শ’২০টি খতিয়ান খুলেছে। সংশোধনের জন্য অীফসে গেলে তারা আমার নিকট মোটা অংকের টাকা দাবী করে।
তারিকাটা গ্রামের জাকির হোসেন হাওলাদার বলেন, আমার ৫টি দাগের জমি অন্য জনের নামে রেকর্ড করে দেয়। অফিসের শফিকুর রহমান নামের একজনকে ১লক্ষ ৭০ হাজহার প্রদান করলে সে ঠিক করে দেয়।
তারিকাটা গ্রামের আরেক ভূক্তভোগী কৃষক কামাল মৃধা বলেন আমার পৈত্রিক সম্পত্তি প্রতিবেশী রেহেনা নামের এক জনের নামে রেকর্ড কওে দেয়। পওে অফিসে মোটা অংকের বিনিময় তা ফিরিয়ে আনি।
আমতলী উপজেলা সেটেলমেন্ট কার্যালয়ের সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, আমাদেও বিরুদ্ধে ঘুষ অীনয়ম ও দুর্নীতির যে অভিযোগ আনা হয়েছৈ তা সম্পূর্ন মিথ্যা। অীফসের কোন কর্মকর্তা কর্মচারী এসকল কোন কাজের সাথে জড়িত নয়।
আমতলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: আশরাফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খমিয়ে দেখা হবে এবং সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তাদেও সাথে এ বিষয়ে কথা বলা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *