
পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। পুরোহিতের মন্ত্রপাঠ, উলুধ্বনি ও ঘন্টাসহ নানা আয়োজনে পটুয়াখালীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা উদযাপনে শাক ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গন। শুক্রবার সকাল থেকে মন্দির, বিদ্যালয় ও বাড়ির আঙ্গিনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব এ সরস্বতী পূজা উদযাপিত হয়েছে।
সনাতন ধর্মমতে, সরস্বতী জ্ঞান, বিদ্যা ও শিল্পকলার দেবী। জ্ঞান ও বিদ্যালাভের আশায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতি বছরের মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী দেবীর আরাধনা করেন। সরস্বতী বিদ্যার দেবী হওয়ায় হিন্দু সম্প্রাদায়ের ঘরে ঘরে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরস্বতীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে, সাদা রাজহাঁসে চড়ে ও বীণাহাতে সরস্বতী পৃথিবীতে আসেন।
সরস্বতী পূজা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পূজামন্ডপ বাড়ী বাড়ীতে দেবীর পাদ পদ্মে অঞ্জলি দেয় ভক্তরা। এছাড়া সরস্বতীর দেবীর সামনে ‘হাতেখড়ি’ দিয়ে শিশুদের বিদ্যা চর্চার সূচনা করা হয় অনেক জায়গায়। প্রায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে বাড়িতে এক যোগে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজা শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরন করা হয়।
এ পূজা এখন শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটা এখন একটি অসাম্প্রদায়িক উৎসবে পরিণত হয়েছে। এ উৎসব সনাতন ও মুসলিম উভয় ধর্মাবলম্বী মানুষ সমানভাবে উপভোগ করছে। সনাতন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সঙ্গে মুসলিম শিক্ষার্থীরাও এই পূজা আয়োজনের মাধ্যমে বিদ্যাদেবীকে সন্তুষ্ট করে শিক্ষা অর্জনের পথ সুগমে ব্যস্ত।
সনাতন ধর্মমতে, সরস্বতী জ্ঞান, বিদ্যা ও শিল্পকলার দেবী। জ্ঞান ও বিদ্যালাভের আশায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতি বছরের মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী দেবীর আরাধনা করেন। সরস্বতী বিদ্যার দেবী হওয়ায় হিন্দু সম্প্রাদায়ের ঘরে ঘরে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরস্বতীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে, সাদা রাজহাঁসে চড়ে ও বীণাহাতে সরস্বতী পৃথিবীতে আসেন।
সরস্বতী পূজা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পূজামন্ডপ বাড়ী বাড়ীতে দেবীর পাদ পদ্মে অঞ্জলি দেয় ভক্তরা। এছাড়া সরস্বতীর দেবীর সামনে ‘হাতেখড়ি’ দিয়ে শিশুদের বিদ্যা চর্চার সূচনা করা হয় অনেক জায়গায়। প্রায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে বাড়িতে এক যোগে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজা শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরন করা হয়।
এ পূজা এখন শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটা এখন একটি অসাম্প্রদায়িক উৎসবে পরিণত হয়েছে। এ উৎসব সনাতন ও মুসলিম উভয় ধর্মাবলম্বী মানুষ সমানভাবে উপভোগ করছে। সনাতন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সঙ্গে মুসলিম শিক্ষার্থীরাও এই পূজা আয়োজনের মাধ্যমে বিদ্যাদেবীকে সন্তুষ্ট করে শিক্ষা অর্জনের পথ সুগমে ব্যস্ত।