👁 97 Views

যশোরের শার্শায় তারাবির নামাজ পড়ে ফেরার পথে ২ জন হতাহত

ইয়ানূর রহমান : তারাবির নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে শার্শার পল্লীতে দুর্বৃত্বদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পৃথকভাবে ২জন হতাহত হয়েছে ৷

এলাকাবাসি সুত্রে জানা যায়, শার্শার গাতিপাড়া গ্রামের পল্লি-চিকিৎসক আল আমিন (৩২) মসজিদ থেকে তারাবির নামাজ পড়ে ফেরার পথে দুর্বৃত্বদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়।

অপরদিকে, শার্শার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ইসলাম তারাবির নামাজ পড়ে ফেরার পথে কাটাখালি নামক স্থানে দুর্বৃত্বদের ধারালো তেকালার আঘাতে মারাত্মক জখম হয়েছে ৷ তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তী করা হয়েছে ৷

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার গাতিপাড়া মোড়ে  পল্লী চিকিৎসক আল আমিন দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন তিনি।

নিহত আল-আমিন উপজেলার বারিপোতা গ্রামের বাসিন্দা ও রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে একটি চিকিৎসা চেম্বার পরিচালনা করতেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো চেম্বার বন্ধ করে তারাবির নামাজ আদায়ের উদ্দেশে বের হন তিনি। নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্বরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে শার্শা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।

এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) শাহ-আলম বলেন, দুটি ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হামলা বলে মনে হচ্ছে। হত্যাকাণ্ড ও হামলার পেছনের কারণ উদঘাটনে আমরা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছি। এখনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে পূর্ব বিরোধ বা ব্যক্তিগত শত্রুতার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।#

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *