
ঘোড়াঘাট, প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে রোজা শুরুতে এরমধ্যেই মাছ, মাংশ, মুরগী, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ ও লেবুর দামে ঝাঝঁ লেগেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) উপজেলার হাটবাজার ঘুড়ে দেখা গেছে, পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে যার মূল্য ক’দিন আগেও ছিল কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচ ক’দিন আগেও বিক্রি হচ্ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে তা’ এখন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। যে লেবু বাজারে এসে লোকজন নেড়েও দেখতো না। রোজার আমেজে তা’ এখন হালি প্রতি কিনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা প্রকার ভেদে। বিক্রেতারা জানান, আড়তে দাম বেশী তাই, বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা তা এখন বেড়ে হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। কাঁচা তরি-তরকারি অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও সেগুলোর দামও আন্তে-আস্তে বাড়ার আশংকা প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। বাজার ঘুড়ে দেখা গেছে, দেশী মুরগির মাংস ৫৬০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে যা’ কদিন আগেও বিক্রি হচ্ছিলো ৫শ’ টাকা কেজি দরে। পাকিস্তানী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি দরে। ফার্মের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০’ টাকা কেজি যা কয়েক দিন আগে বিক্রি হয়েছিল১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে। আগে গরুর মাংস সাড়ে ৬শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭শ’ থেকে সাড়ে ৭শ’ টাকা কেজি দরে। মাছের বাজারেরও এরকম দাম বেশী অবস্থা বিরাজ করছে। দেখা গেছে, তেলাপিয়া মাছ ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রুই ও কাতলা মাছ সাইজ অনুযায়ী সাড়ে ৩শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস মাছও সাইস ভেদে ২২০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে করেতে আসা কয়েজনের সাথে আলাপ হলে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রোজা শুরুতে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সিন্ডিকেড গড়ে এসব জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর জন্য তৎপর রয়েছে। তাই, এলাকার সাধারন মানুষজন এসব অসৎ সিন্ডিকেড তাদের উদ্দেশ্য যাতে পূরণ না করতে পারে এবং সাধারণ মানুষজন যাতে রোজার মাসে এসব পণ্য কিনতে যেয়ে দামের বিড়ম্বনায় না পড়েন তার জন্য এখনই প্রশাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন।