
এইচএম মোকাদ্দেস,সিরাজগঞ্জ ;; ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সিরাজগঞ্জ -২
( সদর- কামারখন্দ) আসনটি। এ আসনে এখন জোড়ে সোড়ে বইছে নির্বাচনি হাওয়া। আসনটিতে জয়ী হতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনতে দিনরাত প্রচারণায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছুটে বেড়াচ্ছেন সদর কামারখন্দ উপজেলার অলিগলি, বাড়ি বাড়ি ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। শুনছেন ভোটারদের নানান সমস্যার কথা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। তাকে কাছে পেয়ে ভোটার সমর্থকরা করছেন বিভিন্ন দাবি দাওয়া। বিজয়ী হলে সেগুলো পুরণ করা হবে বলেও তিনি ভোটারদের আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন। তার পাশাপাশি তার
স্ত্রী জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, ছেলে আবেদ মাহমুদসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। তারাও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনটি জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন। এ আসন বরাবরই বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত। তাই এ আসনে এগিয়ে আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি ১৯৮৬ ও ২০০১ সালে এ আসন থেকেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী ২০০৮ সালে আইনি জটিলতায় তিনি নির্বাচন করতে পারেননি। পরে তার সহধর্মিণী বর্তমান জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ নির্বাচিত হন। কিন্তু গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বদলে গেছে ভোটের মাঠের সমীকরণ।আসনটিতে নতুন সমীকরণে আলোচিত হচ্ছে দীর্ঘদিনের জোট সঙ্গী জামায়াতের প্রার্থীকে নিয়ে।
এ আসনে একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকলেও তার মুল প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতে-ইসলামীর সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম। এই দুই দলের প্রার্থীই নিজ নিজ ভোট ব্যাংকের বাইরে সাধারণ ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছে। সেই হিসেবে দলের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তি ইমেজও ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। ফলে বিএনপির প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভোটের মাঠে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
তিনি বলেন জামায়াত কোনদিনও বিএনপির মুল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। তারা ছিল চার নাম্বারে। বিএনপির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছে আওয়ামীলীগের কিন্ত গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর তারা দুই নাম্বারে এসেছে। জামায়াত ধর্মের দোহাই দিয়ে, ধর্মের নাম ব্যবহার করে জনগনকে বোকা বানিয়ে ভোট নিতে চাচ্ছে। তাই আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জনগণ তাদেরকে উচিত জবাব দিবে এবং ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত হবে।