👁 261 Views

ভালুকায় সাজানো মামলায় হয়রানির অভিযোগ

ভালুকা  প্রতিনিধি-z  ময়মনসিংহের ভালুকায় রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে একটি নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ওই মামলায় বর্তমানে তিন ব্যক্তি হাজতবাস করছেন বলে জানা যায়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চামিয়াদী গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে গোলাম মোস্তফা গং ও প্রতিবেশি শুকর মাহমুদের ছেলে কামাল গং এর সাথে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে স্থানীয় ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ হলোও কোন ফয়সালা হয়নি। পরে গোলাম মোস্তফা বাদি হয়ে প্রতিপক্ষ, কামাল (৭৫), রাজিব (২৫), রুবেল মিয়া (৩০), রুকিয়া (৩০) এবং জুলেখার (৩৫) বিরুদ্ধে গত ২৯ জানুয়ারি ময়মনসিংহ ৮ নম্বর আমলী আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ২০২৩ এর ১১ ধারায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে আদালত মামলাটি ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ১৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু প্রতিবেদন পাঠাতে দেরি হওয়ায় প্রতিপক্ষ জামাল হোসেনের ছেলে রাজিব মিয়া বাদি হয়ে মোস্তফা (৪৮), সোলাইমান (২৫), আজিজুল (২৯), আবুল হোসেন (৫১), রেজাউল (২১), চানু মিয়া (৪৫), ফুলজান বেগম (৪৫) ও সুবেদা বেগমকে আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় মামলা করেন। পরে ওই মামলায় আত্মসমর্পন করতে গেলে আদালত আবুল হোসেন, রেজাউল ও চাঁনু মিয়ার জামিন বাতিল করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমাদের যাতায়াতের রাস্তা না দেয়ায় আমি বাদি হয়ে আদালতে কামাল ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা করি। পরে আদালত আমার করা মামলাটি সরজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেন। কিন্তু প্রতিবেদন পাঠাতে দেরি হওয়ার সুযোগে তারা তাদের এক প্রতিবন্ধী ভাইকে আহত সাজিয়ে আমাকেসহ পরিবারের ৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে। তবে, মামলটি মিথ্যা ও সাজানো। তাদের করা সাজানো মামলায় আমার পরিবারের তিনজন সদস্য বর্তমানে হাজতবাস করছেন।’ তিনি ওই মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছেন।
এ বিষয়ে কথা হলে মামলার বাদি রাজিব মিয়ার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এব্যাপারে মোবাইলে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং এক পর্যায়ে ফোনটি কেটে দেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল বাসেদ পিন্টু জানান, মোস্তফা গং ও কামাল গংদের চলাচলের রাস্তার বিষয়ে সালিশও হয়েছে। ওই সালিশে দুইপক্ষের জমির উপর রাস্তাটি করার সিদ্ধান্ত’ হয়। কিন্তু পরবর্তিতে দুই পক্ষই মামলায় জড়িয়ে পরেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *