👁 386 Views

আদালতের রায়ে ক্ষমতা ফিরে পেলেন দশমিনার ৩ ইউপি চেয়ারম্যানসহ পটুয়াখালীর ৮ চেয়ারম্যান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।  পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু, আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান সাগর ও চরবোরহান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজির সরদার সহ মোট জেলার আটজন ইউনিয়ান পরিষদ চেয়ারম্যান আদালতের নির্দেশে তাদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ফিরে পেয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশাসনিক জটিলতার কারনে তারা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার মধ্যে ছিলেন। তবে সর্বশেষ আদালতের নির্দেশনার পর তারা পুনরায় স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন।।
এদিকে চরবোরহান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজির সরদারকে ঘিরে অতীতের কিছু অভিযোগ নতুন করে আলোচনার এসেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার বিরুদ্ধে ২০১৭ ও ২০২০ সালের নির্বাচনে ভোট কারচুপি এবং রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর হামলা-নির্যাতনের অভিযোগ পুর্বে আলোচিত ছিল।
এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আবুল বাশার জানান, ২০১৭ সালের চরবোরহান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে র সময় আমার ওপর হামলা হয়। আমি তিন দিন চরবোরহান ইউনিয়নে আত্মগোপনে ছিলাম এবং অবরুদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছিল।
এছাড়া চরবোরহান ইউনিয়নের বেল্লাল হোসেন নামের এক বিএনপি কর্মীর চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করে চেয়ারম্যান নজির সরদারের অনুসারী সন্ত্রাসীরা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে চরবোরহান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজির সরদারের পক্ষ থেকে কোন আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আদালতের নির্দেশে ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার পর চেয়ারম্যানরা এখন স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে ফিরবেন।  তবে এ ঘটনায় এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
কারণে এসব চেয়ারম্যানদের আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল এবং সাধারণ সেবা কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দেয়।
এ পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যানরা আদালতের শরণাপন্ন হলে শুনানি শেষে আদালত তাদের পক্ষে রায় দেন। আদালতের নির্দেশনার পর পুনরায় দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা না থাকায় সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানরা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।
চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন, আদালতের এ রায়ে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন এবং এখন থেকে জনগণের সেবা আরও জোরদারভাবে পরিচালনা করবেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
এদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *