👁 441 Views

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা কমাতে চসিক মেয়রের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে নগরজীবনে কিছুটা স্বস্তি

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ  গত দু’দিনের হাল্কা ও মাঝারী বৃষ্ঠিতে চট্টগ্রাম নগরীর মুরাদপুর, প্রবর্ত্তক মোড়, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, জামালখান, বহদ্দার হাট সহ বেশ কয়েকটি এলাকার রাস্তাঘাঁট কোমর পানিতে তলিয়ে গিয়ে সীমাহীন নাগরিক দূর্ভোগ সৃষ্ঠি হয়। বৃষ্ঠির পানিতে রাস্তার ২/৩ ফুট উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থবির হয়ে পড়ে। নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার অধিনে খাল সংস্কার প্রকল্প চলাকালীন সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা নিরসনে চসিক মেয়র কতৃক দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি দ্রুত নেমে গিয়ে নাগরিক জিবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে। অস্থায়ী বাঁধ অপসারণের ফলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতা-প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি প্রবর্তক মোড়, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, জামালখান, মুরাদপুর ও বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, অধিকাংশ এলাকায় জমে থাকা পানি নেমে গেছে এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে মেয়রের নির্দেশনায় হিজরা খাল, জামালখান খাল ও মুরাদপুর বক্স কালভার্ট এলাকায় স্থাপিত অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করা হয়। ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হয়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড খাল খনন ও অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছিল, যা ভারী বর্ষণে পানি নিষ্কাশনে সাময়িক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।
তবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে এসব বাঁধ অপসারণের পর পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটে এবং নগরবাসীর ভোগান্তি কমে আসে।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চলমান উন্নয়ন কাজের কারণে সাময়িক সমস্যা সৃষ্টি হলেও সমন্বয়ের মাধ্যমে তা দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বয় বাড়িয়ে কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন, যাতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে ভোগান্তি থেকে মুক্ত রাখা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *