
আব্দুল মান্নান, শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ যশোরের শার্শায় ইজিবাইক চালক আল আমিন (২১) ঢাকা মেডিকেলে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু বরণ করেছে। শার্শা থানা সূত্রে প্রকাশ গত ২২ জানুযারী আফিল উইভিং ফ্যাক্টরির গেটের সামনে আনুমানিক রাত্র ১০.৩০ মিনিট সময় বিল্লালের চা দোকানে বসে আল আমিন চা খাচ্ছিল। আকশ্মিক ভাবে হোমিও চিকিৎসক ডাক্তার আব্দুল লতিফের পুত্র ইয়াছিন আলি সহ ৬/৭ জন স্ব-স্বস্ত্র সন্ত্রাসি তাকে ঘিরে ফেলে এরপর আল আমিনের নিকট পূর্বের পাওনা ১ হাজার ২শ টাকা দেওয়ার কথা বলে। আলআমিন চাওয়া মাত্র ৫শ টাকা তাৎক্ষনিক দিয়ে দেয় এবং বলে ৭শ টাকা ৪দিন পরে দিয়ে দেব। এ কথা বলার সাথে সাথে ইয়াছিন ও তার সাথে থাকা আঃ আলিমের পুত্র ইকরামুল বিদ্যুৎ পিং আঃ গণি, কালাম ও ইব্রাহীম সহ ৬/৭ জন সন্ত্রাসী আল আমিনের কলার ধরে কিলঘূষি এবং রড দিয়ে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় আঃ আলিম দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ঐ সন্ত্রাসীরা চোর চোর বলে ডাক চিৎকার করলে আল আমিনকে ধরে কালামের চায়ের দোকানের সামনে এনে পুনঃরায় তাকে হাতুড়ী ও লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রেখে তার শরিরের উপর দিয়ে ইয়াসিন ও তার দলবল ইজিবাইক চালিয়ে দেয় ৬/৭ বার। তার আত্মচিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বুরুজবাগান হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। ২ দিন চিকিৎসার পর বুরুজবাগান হাসপাতাল থেকে তাকে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেও তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করে ১ দিন চিকিৎসার পর ২৮ জানুয়ারী রাত্র ২টার সময় মৃত্যুর বরণ করে। এ দিন রাতেই শার্শা গ্রামের বাড়ির কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শার্শা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে আল আমিনের পিতা বিল্লাল হোসেন যাহার মামলা নং ১৯, তারিখ ২৮/০১/২০২৬। এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক শরিফুল আলম এক স্বাক্ষাতকারে জানান আসামিরা পলাতক রয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।