
বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের কপিঃ
যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মোঃ শফিক, পিতা মৃতে। সিমিক, মাতা-গুলশান বিবি, সাং-উত্তরা আবাসন প্রকল্প চেলাপীর, বাসা নং-৯৮/৪, সৈয়দপুর, নীলফামারী। আমি একজন গরীব পরিবারের সন্তান। ১৯৭৬ সালে আমার পুরো পরিধায়ের লোকজনকে আমার চোখের সামনেই আমাদের সান্তাহারের নিজ বাসায় মার্চ মাসে মেরে ফেলে ভাগ্যেক্রমে কোনরকমে বাঁচিয়া যাই এবং সেখান থেকে গ্রামে বিরেপাডোসরে যাতে দেশ-৬০ ৫৪৭৫ ৩৫ আমি নিজ বাড়ি সামা এলাকায় ফিরিয়া আসি। কিন্তু যে বাড়িতে আমার শৈশব কেটেছে মা-বাবা, ভাই-বোনদের নিয়ে এতো স্মৃতি জয়েছে সে বাড়তে বাবা কষ্টকর হয়ে দাড়ায়। এর জন্য আমি জাফর নামে জনৈক ব্যক্তিকে আমাদের সান্তাহারের নিম্ন তফসিল বর্ণিত জমিতে থাকা বাড়িতে অস্থায়ী ভাবে
জনাব তাহাকে থাকার জন্য অনুমতি দেই। তারপর আমি সৈয়দপুরে চলে আসি। ১৯৮৪ সালে পরিবানুরা মারধর করে জাফরকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে উক্ত বাড়ির দখল করে নেয়। তারপর আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি এবং জানিতে পারি, সরকার নাকি পরিবানুদের কাছে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি হস্তান্তর করিয়াছে। তার জন্য আমি আমার মালিকানা দলিলের জাবেদ্য নকল লইয়া তহশীল অফিসে খাজনা দিতে যাই। তহশীল অফিস আমাকে জানায় মোছাঃ কাদিজার সম্পত্তি সরকার পতিত হিসেবে হস্তান্তর করেছে, এ জন্য সেই জমির খাজনা নেয়া যাবে না। গুলশান বিবি নামে ২ (দুই) শতক সম্পত্তির খাজনা তহশীল অফিস নেয়। বাকি ৪.৫০ শতক সম্পত্তি খাজনা নেয় না। তখন আমি ডিসি অফিসে ১৯৮৫ সালে নথি তৈরী করে জমা দেই। তৎকালিন ডিসি সাহেব আমাকে বলে, তুমি নাবালক, তোমার সম্পত্তি আমরা রক্ষনাবেক্ষন করবো বলে আমাকে ফিরিয়ে দেয়। তৎপর আমি উক্ত সম্পত্তির খোঁজখবর লইয়া জানিতে পারি যে, উক্ত নথিটি সেগুনবাগিচা, ঢাকা বরাবর পাঠানো হইয়াছে। তৎপর আমি সেগুনবাগিচা হইতে উক্ত নথির স্মারক নং সংগ্রহ পূর্বক বগুড়া ডিসি অফিস বরাবর জমা প্রদান করি। তৎপর হইতে উক্ত বিষয়ে বগুড়া ডিসি অফিস হইতে কোন তথ্য আমাকে দেওয়া হয় নাই। অফিসে কোন কাগজপত্র খুঁজে পাওয়া যায় নাই। প্রকৃত পক্ষে নিম্ন তপশীল বর্ণিত সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তি বটে। উক্ত জমি সরকারের পক্ষে দলিল করিয়া দেবার কোন এখতিয়ার ছিল না বা নাই। আমার ১৯৮৫ সালে জমাকৃত ডিসি অফিসে আবেদনের প্রেক্ষিতে ডিসি সাহেব ২০১৭ সালে নাহিপ্রতী স্থানে অণও-ডিম পাঠায় এবং ২০১৯ সালে জানিতে পাখি যে, সেই তদন্ত রিপোর্ট আমার বিপক্ষে প্রদান করিয়াছে। তৎপর আমি মাননীয় আদমদিঘী সহকারী জজ আদালতে একটি সিভিল মোকদ্দমা দায়ের করি। মাননীয় আদালত আমার দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি ডিসমিস করেন।
মহামান্য আদালত বিচার বিবেচনাঃ-
১৯৮৫ সালে আমার নথি সব ডিসি অফিসে জমা দেওয়ার পরও ১৯৮৮ সালে অর্থাৎ ০৩ বছর পর কিভাবে পরিবানু দলিল করে দেয়?।
পরিবানুর ভুয়া (জাল) দলিল দেখাইয়া আমাকে মাঠ পর্যায়ে কেন হয়রানী করা হচ্ছে?। আমার মামলার উকিল শয়তানি করে প্রতিপক্ষের সহিত সমঝোতা করে আদালতে আমার স্বত্ব দখলের পক্ষে কাগজপত্র (নথি) জমা না করায় অর্থাৎ উকিলের গাফলতির কারণে আমার দায়ের করা মামলা নং-১০৬/২০২০টি ২৯/০৫/২০২৫ ইং তারিখে মামলাটি ডিসমিস হইয়াছে। আমি ০১/০৭/২০২৫ ইং তারিখে আমি উক্ত মামলার আপিল করিয়াছি যাহার কেস নং-১৯২/২৫।
আমি নিরিহ গরীব মানুষ, এতিম অসহায় ও শহীদ পরিবারের সন্তান। দয়া করে মহামান্য আদালতের কাছে অনুরোধ এতিমের উপর হাত দেন, আল্লাহ ও আল্লাহর রসুল বলেছেন। তাই সঠিক বিচার করিবেন। আমার প্রতি সু-বিচার করলে আল্লাহ আপনাকে ও আমার পরিবারকে সুখি রাখবেন এবং আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। তফশীল সম্পত্তি
জেলা-বগুড়া, থানা-আদমদিঘী, মৌজা- বশিপুর, জে,এল, নং-১৭০, এস,এ খং নং-৮৮৮, ৮৮৫, দাগ নং-১৭৩৯, দলিল নং-৬ ২৯/০১/৫৩, পরমান-৩৮ শতকের মধ্যে ০৪.৫০ শতক ও কবলা দলিল নং-৩৮৩১, তাং-০৭/০৪/৬৫, পরিমান-৩৮ শতক মধ্যে ২.০০ শতক একুনে ৬.৫০ শতক।মোসফিক (মোঃ শফিক)পিতা- মৃত, সিদ্দিক মাতা- গুলশান বিবি, সাং- উত্তরা আবাসন প্রকল্প ঢেলাপীর, বাসা নং- ৯৮/৪, সৈয়দপুর, নীলফামারী। মোবাইল নং-০১৭৪৩-৫৮৩৮৫৯