👁 91 Views

সাঁথিয়ায় মোরগের কণ্ঠে ‘ আল্লাহ আল্লাহ ’ ডাক এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি-মাদরাসায় দান

সাঁথিয়া(পাবনা)প্রতিনিধিঃ মোরগের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে ‘আল্ল¬াহর’ নাম। মোরগটি বারবার শুধু আল্ল¬াহর নাম ধরেই ডাকছে। বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রোববার(১২এপ্রিল)ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ‘আল্ল¬াহর’ নাম ধরে ডাকা মোরগটিকে দেখতে ভিড় করেছেন উৎসুক জনতা। ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা ইউনিয়নের পুন্ডুরিয়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশি ওই মোরগটি দির্ঘদিন বাড়িতে পালন করছিলেন পুন্ডুরিয়া গ্রামের রহিম শেখ এর ছেলে সাব্বির হোসেন। মোরগটিকে রান্নার জন্য জবাই করতে গেলে ঠিক তখনই মোরগের কণ্ঠে আকস্মিক শোনা যায় ‘আল্ল¬াহ আল্ল¬াহ’ ডাক।মোরগের জিকির করা দেখে অবাক হন স্থানীয়রা। মোরগটিকে দেখতে ওই বাড়িতে ভির জমান অনেকেই।পরে স্থানীয় পুন্ডুরিয়া দাখিল মাদরাসায় মোরগটিকে দান করে দেন সাব্বির হোসেন।

অন্যান্য মোরগ-মুরগির ডাক স্বাভাবিক থাকলেও এই মোরগটির কণ্ঠস্বর অন্যরকম। ঠিক মানুষের মতোই মোরগটি উচ্চস্বরে ‘আল্ল¬াহ আল্ল¬াহ’ করে ডাকছে! বিস্মিত পরিবারের দাবি,এটি সৃষ্টিকর্তার বিশেষ কুদরত।

সাব্বির হোসেন জানান,জীবনে কত হাঁস,মুরগি, কবুতর পালন করেছেন সবাই। কিন্তু কখনো এমন ডাক শোনেননি। মোরগের গলায় আল্ল¬াহর নাম শুনে অবাক হয়েছেন সবাই। আমি জবাই করা বাদ দিয়ে অনেকটা ভয়ে মাদরাসায় দান করে দিয়ে এসেছি।

মোরগটি দেখতে আসা উৎসুক সাইদুল ইসলাম বলেন,আমি কখনও মোরগের কন্ঠে আল্লাহর নাম ধরে ডাকা শুনিনি। এই প্রথম মোরগের কন্ঠে আল্লাহর নাম ধরে ডাকার বিষয়টি জানতে পেরে মোরগটি দেখতে এসেছি।

এ বিষয়ে পাঁচুরিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার(অধ্যক্ষ) মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন বেলালী বলেন, ইসলাম ধর্ম মতে কেয়ামতের যেসব আলামত রয়েছে তাদের মধ্যে একটি হলো কিয়ামতের পূর্ব মূহুর্তে প্রাণী এবং জড় পদার্থ মানুষের সঙ্গে কথা বলবে। আল্ল¬াহ রাব্বুল আল-আমিন মানুষকে কথা বলার শক্তি দিয়েছেন। তিনি চাইলে অন্যান্য সৃষ্টি জীবকেও কথা বলার ক্ষমতা দিতে সক্ষম।

পুন্ডুরিয়ার দাখিল মাদরাসার সুপার(অধ্যক্ষ)আব্দুল ওয়াদুদ জানান,সাব্বির নামের ওই ছেলেটা একটি মোরগ আমাদের মাদরাসায় দান করেছে।এ বিষয়ে ইসলাম ধর্মে কোন হাদিস আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার জানা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *