👁 498 Views

ডিহি ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের ভূমি দৌস্যু ও সন্ত্রাসিদের হাত থেকে বাঁচতে ভুক্তভোগির অভিযোগ

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ ভূইয়ার কবলা মুলে খরিদ করা জমি জবর দখর করে নিয়েছে রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আফসার আরীর পুত্র ভূমি দৌস্যু ও সন্ত্রাসি খায়রুল। গত ২০১৫ সালে জমির চৌহর্দ্দি মতে একই গ্রামের আব্দুল মান্নান পিং মৃত হকের আলরি নিকট থেকে ওয়ারেশ সুত্রে হারাহারি মতে কবলা দলিল মূলে শার্শা সাবরেজিঃ অফিসের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে ভোগ দখল করে আসছে। সম্প্রতি গত ২ মাস পূর্বে আমার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে রখুনাথপুর গ্রামের কিতাব আলীর পুত্র সহিদুল ইসলামের নের্তৃত্বে খায়রুল সহ ১০/১২ জন জমি জবর দখল করে এ সময় আমার রান্না ঘর ও টিনের দেওয়া চাল ভাংচুর করে মিথ্যা মামলা দেওয়ার হুমকি দেয়। এ সময় আব্দুল হামিদের স্ত্রী ও তার মেয়ে রোজিনা খাতুন ঘটনার প্রতিবাদ করতে আসলে প্রকাশ্যে তারা রোজিনা ও তার স্ত্রীকে বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখমও করে। আঃ হামিদ নিজ নামে খরিদ করা জমি জোর পূর্বক ইচ্ছাকৃত ভাবে পেশিশক্তির ক্ষমতা দেখিয়ে জমি লম্বালম্বি ভাবে ভাগ করে অর্ধেক প্রায় ৯ শতক জমি জবর দখল করে নিয়েছে। আঃ হামিদ এক স্বাক্ষাতকারে জানান ৬নং রঘুনাথপুর মৌজার ৬৬ নং খতিয়ানের ১৬৫ নং দাগে ১৮.৮০ শতক জমি দৈর্ঘও প্রস্থ্য ও চৌহর্দ্দি মোতাবেক জমি খরিদ করে। অথচ পেশিশক্তির বলে খায়রুল ও সহিদুলের নেতৃত্ত্বে জবর দখল করে ব্যোর ধান চাষ করেছে। এ ঘটনার সুষ্ট বিচার দাবি করে আঃ হামিদ ভূইয়া শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আঃ হামিদ তার অভিযোগে উল্লেখ্য করেছেন সে একজন গরীব অসহায় দরিদ্র শারীরিক প্রতিবন্ধি। ভূমি দৌষ্যূ ও সন্ত্রাসী খায়রুল আমাকে ও আমার স্ত্রীর নামে একাধি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও জীবন লাশের হুমকি দিয়েই চলেছে। এলাকার প্রভাশালী ব্যাক্তি হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেহই মুখখুলতে সাহস পায় না। ইউনিয়ন কাউন্সিল ও গ্রাম একাধিকবার শালিশ বিচার হয়েছে। কিন্তু ভূমি দৌষ্যূ খায়রুল কখনই কোন দিন শালিষে উপস্থিত হয়নি। প্রশাষনিক ভাবে কোন পদক্ষেপ না নিলে। যে কোন সময়ে বড় ধরনের ঘটনার আশংক্ষা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *