
বার্তা সংস্থা পিপ (পাবনা) : দেশীয় মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় পাবনার বেড়া উপজেলার যমুনা ও হুরাসাগর নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করেছে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও নগরবাড়ি নৌ-পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল থেকে উপজেলার যমুনা ও হুরাসাগর নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে যৌথভাবে পরিচালিত অভিযানে প্রায় এক হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৫২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন এবং নগরবাড়ি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা।
বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছের নিরাপদ প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে সরকার চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এ ধরনের অবৈধ জালের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিতভাবে হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অভিযান শেষে উদ্ধার করা নিষিদ্ধ জালগুলো উপজেলার ডাকবাংলো ঘাটে নিয়ে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানায়, অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে নদীর জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল থেকে উপজেলার যমুনা ও হুরাসাগর নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে যৌথভাবে পরিচালিত অভিযানে প্রায় এক হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৫২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন এবং নগরবাড়ি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা।
বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছের নিরাপদ প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে সরকার চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এ ধরনের অবৈধ জালের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিতভাবে হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অভিযান শেষে উদ্ধার করা নিষিদ্ধ জালগুলো উপজেলার ডাকবাংলো ঘাটে নিয়ে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানায়, অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে নদীর জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে।