👁 78 Views

নওগাঁয় টয়লেট ট্যাংকি থেকে উদ্ধার হওয়া নারীর পরিচয় মিলেছে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ পরিবারের

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁ সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের এক টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া যুবতীর পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে থানা পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর নাম মিতু পারভিন। তিনি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার শরিফপুর গ্রামের মিরাজুল ইসলামের কন্যা ও এক সন্তানের জননী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মিতুর প্রথম বিয়ে হয় নওগাঁর সদর উপজেলার শিকারপুর গ্রামের সাকিব হোসেনের সাথে। বিয়ের পর স্বামী সৌদি আরবে চলে যান। ওই সংসারে তাদের সাত বছরের এক শিশু  সন্তান রয়েছে।
 তবে মিতু স্বামী প্রবাসে থাকার সুবাদে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তার এ অবৈধ সম্পর্কের জের ধরে ২০২৪ সালে তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।
এরপর শরিফপুর গ্রামের শুভ নামের আরো এক যুবকের সাথে মিতুর দ্বিতীয় বিয়ে হয়। তবে এক বছর পর সেই সংসারও টিকেনি, ভেঙে যায়, ঘটে বিবাহ বিচ্ছেদ।
এ গত বছর আবারো নওগাঁর তিলকপুর গ্রামের  রিপন নামের এক যুবকের সাথে তৃতীয়  বিয়ে হয় মিতুর। রিপন গত ৪ মাস আগে ঢাকায় চলে যায়।
এরপর গত ডিসেম্বর মাসে মিতু নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একাই বসবাস করে আসছিলেন।
 নিহতের বাবা মিরাজুল ইসলাম বলেন, তিন দিন আগে মেয়ের সাথে তার শেষবারের মতো ফোনে কথা হয়েছিল। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
মঙ্গলবার দুপুরে ভবানীপুর গ্রামের একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে এক নারীর লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা সিরাজুল ইসলাম নওগাঁ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে মনজের হোসেন নামের একজনকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত মূল হোতাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান ও তৎপরতা অব্যাহত আছে।
×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *