প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ৫, ২০২৬, ২:৪১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ৪, ২০২৬, ১০:১৮ পি.এম
নওগাঁয় সাদরাসার হাজিরা খাতায় সুপারের স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেয়ার অভিযোগ সভাপতির বিরুদ্ধে

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর পোরশা উপজেলার কাতকইল দাখিল মাদরাসায় সুপারিন্টেন্ডেন্টের হাজিরা খাতার স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আবদুল বারী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন সভাপতি।
লিখিত অভিযোগে আবদুল বারী বলেন, ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি তাঁকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন ও আপিল অ্যান্ড আর্বিট্রেশন কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই বরখাস্ত করা হয়। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেন এবং সেই রায় বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ২০২১ সালের ১০ মার্চ তাঁকে সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে আবারও আইনি প্রক্রিয়া চললেও চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আবদুল বারীর পক্ষে রায় দেন।
পরে সুপ্রিম কোর্টে করা আপিল খারিজ হলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে। সেই আদেশের ভিত্তিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি নিয়ে তিনি গত ৩০ এপ্রিল মাদরাসায় যোগ দেন এবং ২৯ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় নিয়মিত স্বাক্ষর করেন। গত ২৯ জুন মাদরাসা ছুটির পর সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতা নিয়ে তাঁর প্রায় দুই মাসের স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে দেন এবং পরে নতুন হাজিরা খাতা চালু করেন।
অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। হাজিরা খাতার স্বাক্ষর এভাবে মুছে দেয়ার ক্ষমতা তাঁর আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে আমার জানা নেই। জেনে জানাব।" পরে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর সাড়া দেননি।
ভুক্তভোগী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আবদুল বারীর দাবি, বর্তমান সভাপতি পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্ররোচনায় বিধিবহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় তাঁর স্বাক্ষর মুছে দিয়েছেন। তিনি এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শামসুল আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : একরামুল হক বেলাল
ঢাকা অফিস-২২,মা ভিলা ,পূর্ব তেজতুরী বাজার,ফার্মগেট-১২১৫,
ইমেইল-spnews17@gmail.com
রেলওয়ে পার্ক,পার্বতীপুর,দিনাজপুর। ০১৭১২৩৭০৮০০
© 2026 Songbad Protikkhon-Spnewsbd. All rights reserved.