
ওবায়দুর রহমান, প্রতিনিধি দুমকি (পটুয়াখালী): পবিত্র ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার কামার দোকান গুলোতে কাজের চাপ বাড়ছে। কারিগরদের দম ফেলার ফুসরত নেই। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সরঞ্জাম তৈরি ও মেরামতে দিনরাত হাতুড়ির টুং টাং শব্দ আর হাফরের
ফুঁসফাঁস আওয়াজে মুখরিত হয়ে উঠেছে কামারদের দোকান গুলো। ঘামছে কামার, পুড়ছে লোহা, তৈরি হচ্ছে চুরি-দা- বঁটি।
দা, বটি,ছুরি, চাপাতি ও কুড়াল তৈরি ও পুরানো সরঞ্জামে শান দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।
উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট বাজারের কামারদের স্হায়ী ও অস্হায়ী দোকানে দিন রাত অবিরাম চলছে মহা কর্মযজ্ঞ।
কোরবানির পশু জবাই চামড়া ছাড়ানোর ছোট ছুরি থেকে শুরু করে বড় চাপাতির চাহিদা এখন তুঙ্গে। আকার ও লোহার মানভেদে দা ২' শ থেকে ৮'শ টাকা, ছুরি ২'শ থেকে ৫'শ টাকা, চাপাতি ৫'শ থেকে ১২'শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সরঞ্জামাদি।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কয়লার দগদগে আগুনে লোহাকে পুড়িয়ে পিটিয়ে তৈরি করছেন সব ধারালো সামগ্রী।
কামারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কাজের ব্যস্ততায় নিঃশ্বাস ফেলার সময় নেই। তারা করুণ ঈদের আগের দিন পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাবেন।
পিরতলা বাজারের শিমুল চন্দ্র মালী বলেন, সারা বছর কাজের চাপ কম থাকলেও কোরবানির ঈদ আসলেই আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। আমরাও এ সময়ের অপেক্ষায় থাকি। বেচাকেনা ভালোই চলছে। নতুন দা, বটি , ছুরি, চাপাটি, কুড়াল বিক্রি করি। পাশাপাশি পুরাতন সরঞ্জামাদি ও শান দেই।
কলবাড়ি বাজারের অস্হায়ী কামার সত্য রঞ্জন নাথ বলেন, সপ্তাহে প্রতিদিনই উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে কোরবানি পশুর জবাই, চামড়া ছাড়ানোর চাকু ও চাপাটি বিক্রি করি ও শান দেই। তবে দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে আমাদেরর বেশি মূল্যে কাজ করতে হচ্ছে।
মুরাদিয়ার জলিল হাওলাদার জানান, গতবারের তুলনায় এবার দাম বেড়েছে। একটি চাপাটি ১হাজার টাকায় ক্রয় করেছি যা গত বারের তুলনায় এবছর বেশি। অপর এক ক্রেতা জানান, দা, বটি ও চাপাতিতে শান দিতে মোঠ ৪'শ টাকা দিয়েছেন যা গত বছরের তুলনায় এবার বেশি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : একরামুল হক বেলাল
ঢাকা অফিস-২২,মা ভিলা ,পূর্ব তেজতুরী বাজার,ফার্মগেট-১২১৫,
ইমেইল-spnews17@gmail.com
রেলওয়ে পার্ক,পার্বতীপুর,দিনাজপুর। ০১৭১২৩৭০৮০০
© 2026 Songbad Protikkhon-Spnewsbd. All rights reserved.