স্টাফ রিপোর্টারঃ মোসাব্বর হাসান মুসা বগুড়াঃ
আজ ছিল শহিদ ক্যাপ্টেন শহীদ আশরাফ খান তুহিনের মৃত্যু বার্ষিকী! আমার আদরের প্রিয় ভাই!! ইফতার সাজানো থেকে শুরু করে ইফতার করার পরও সেহেরি পর্যন্ত দুই ভাই - বোন প্রতিযোগিতা করতাম। কে বেশি খেতে পারে। বুট, বুন্দিয়া, পিঁয়াজু, মিষ্টি থেকে পানি, সরবত নিয়েও প্রতিযোগিতা চলত। সারাদিন খেলাধুলা, পড়াশোনা করেও সেহেরি খেয়ে ঘুমানো ছিল আমাদের দৈনন্দিন রুটিন। ক্লান্ত হতাম না দুই ভাই - বোন। আমাদের প্রতিযোগীতার সামিল ছিলেন- মেজ ভাই, মেজ ভাবী, ছোট আপা, বড় মামার মেয়ে - জামাই - মুভি আপা ও সোবহান ভাই, বড় মামা, বড় মামী, বড় মামার ছেলে - শাহিন, খালাত ভাই - রুবল ভাই, মেজ ভাবীর ভাই ফারুক ভাই প্রমুখ। এখন ইফতার সাজাতে গেলে তুহিনের কথা খুব মনে পড়ে। আজকে ভীষণ কষ্ট পাচ্ছিলাম। পোস্ট লিখতে গিয়ে বারবার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল। ইফতার করার আগে কিছু লিখেছি। পরে বাকিটা লিখতে হয়েছে। চোখ বুজে আসছিল। এখন ইফতার খাওয়া নিয়ে কেউ কিছু বলে না।

তুহিন তোকে খুব মিস করি ভাই!!! আমরা সবাই তোকে খুব খুব খুউব মিস করি। তোর বন্ধুরা আগে তোর মৃত্যু বার্ষিকীতে আসতো। এখন দাওয়াত দিলেও আসে না। সাংবাদিকরা আসতো। এখন তারাও আসে না। কিন্তু আমি তোর বড় বোন হলেও ছিলাম তোর খেলার সাথী, পড়ার সাথী, বন্ধু, দুষ্টুমি করতেও তোর আমাকে চাই। তোর সব কিছুতেই আমাকে লাগতো। যেন আমি ছাড়া তোর কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যেত। তাই আমার যখন যা মনে আসে তোর সম্পর্কে সব লিখে নেটে ভাসিয়ে দিই ; ২৫শে ফেব্রুয়ারি। তোর সম্পর্কে কেউ কিছু লিখলে সেইটাও নেটে ছাড়ি। আজ একজন সৈনিক তোর সম্পর্কে লিখে আমাকে মেসেঞ্জারে দিয়েছিল। সেইটাও আমি ফেসবুকে পোস্ট করেছি। নেট দুনিয়ায়ও আমি তোকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরি। যেমনটা আমরা ঈদে ঘুরতাম অনেকটা সেরকম। তুই এখন আমার পাশে থাকলে কি করতাম সেসবও ভাবি কিন্তু লিখি না।
মহান আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তোকে শহিদের মর্যাদা দান করুন আমিন 🤲
সম্পাদক ও প্রকাশক : একরামুল হক বেলাল
ঢাকা অফিস-২২,মা ভিলা ,পূর্ব তেজতুরী বাজার,ফার্মগেট-১২১৫,
ইমেইল-spnews17@gmail.com
রেলওয়ে পার্ক,পার্বতীপুর,দিনাজপুর। ০১৭১২৩৭০৮০০
© 2026 Songbad Protikkhon-Spnewsbd. All rights reserved.