
পটুয়াখালী প্রতিনিধি। পটুয়াখালীতে সফল কৃষি উদ্যোক্তা ও ১১ তম জাতীয় কৃষি পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক কাজী আনিছুর রহমান বারোমাসি আম গাছে মুকুলের মৌ মৌ সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। সেই সুগন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করছে। তার ৪৫ শতাংশ জমিতে বারোমাসি আমের প্রায় ৫০টি গাছ রয়েছে। তার বাগানে বিদেশী থাই কাটিমন ও আফ্রিকান প্রজাতির বারোমাসি আম গাছ রয়েছে। তার বাগানের প্রতিটি গাছেই মুকুলে পরিপূর্ণ হযেছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের সফল কৃষি উদ্যোক্তা ও ১১ তম জাতীয় কৃষি পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক কাজী আনিছুর রহমান উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি-রেইনস) প্রকল্পের মাধ্যমে বারোমাসি বিদেশী প্রজাতির আম বাগান করেন। ধানের দেশে বারোমাসি আমের বাগান সৃজন করে আনিছুর রহমানের সফলতা দেখিয়েছে। তার আম বাগানে ৪৫ শতাংশ জমিতে বারোমাসি প্রায় ৫০টি বিদেশী থাই কাটিমন ও আফ্রিকান প্রজাতির বারোমাসি আমের চারা রেপান করেন তিনি। মুকুলে ছেয়ে আছে আমগাছের প্রতিটি ডালপালা। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত পাগল করা ঘ্রাণ। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার উপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে ব্যক্তি উদ্যোগে রোপন করা আমগাছ। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে আর সেই আম বাগানের মুকুলের ঘ্রান আর ঘ্রান। সব গাছেই মুকুলে ভরে গেছে।
এবিষয়ে কৃষি উদ্যোক্তা ও ১১ তম জাতীয় কৃষি পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক কাজী আনিছুর রহমান জানান, আম বাগানে সারি সারি আম গাছে মুকুলের সুমিষ্ট মৌ মৌ সুগন্ধে মৌমাছিসহ অন্যান্য কীটপতঙ্গের আনাগোনা বেড়ে গেছে। মুকুল আসার পর থেকেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছে। মুকুলকে রোগ বালাইয়ের আক্রমন থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রয়োজনীয় ঔষধ নিয়মিত স্প্রে করছে। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। বারোমাসি আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছে। তিনি আরও বলেন, আমার বাগানে সরকারি দপ্তরের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, দেশের বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষনা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থার প্রশিক্ষনার্থীরা পরিদর্শন করেন। আম বাগানের সারি সারি গাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই উঠতি মুকুল আর মুকুল। এ যেন হলুদ আর সবুজের মহামিলন।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান, তার বাগানে গাছে গাছে আমের মুকুলে ভরে উঠেছে। তবে পোকার কোন আক্রমন না হলে আমের ভালো ফলন হবে। আমের মুকুল রক্ষায় পোকা দমনে বালইনাশক স্প্রে করা হয়েছে। বাগানে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা এসে ভিড় করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : একরামুল হক বেলাল
ঢাকা অফিস-২২,মা ভিলা ,পূর্ব তেজতুরী বাজার,ফার্মগেট-১২১৫,
ইমেইল-spnews17@gmail.com
রেলওয়ে পার্ক,পার্বতীপুর,দিনাজপুর। ০১৭১২৩৭০৮০০
© 2026 Songbad Protikkhon-Spnewsbd. All rights reserved.