ঘোড়াঘাট প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে চলিত মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং জমিতে পর্যাপ্ত আদ্রতা থাকায় এবার পাটের ফলন ভালো হযয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। এবার পাটের দামে খুশি চাষিরা। ভালো দাম পেয়ে, খুশি পাট চাষিরা। এতে তাদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায় একটি পৌরসভা চারটি ইউনিয়নে ১৫০ হেক্টর জমিতে দেশীয় তোষা জাতের পাটের চাষ করেছে কৃষকরা। হেক্টর প্রতি গড় ফলন নির্ধারণ করা হয়েছে ও ১১.৯ বেল্ট। ১৫০ হেক্টর জমি থেকে পাটের উৎপাদন নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২৬ বেল্ট। যা গত বছরের তুলনায় পাটের গড় ফলন ছিল ১০.৬ বেল্ট। ও ১২৫ হেক্টর জমিতে পাটের পাটের উৎপাদন ছিল ১৫. ১৩ বেল্ট।
কৃষকরা পাট কাটা, পানিতে জাগ দেয়া, আশ ছাড়ানো শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বর্তমানে অনেকেই বাজারে বিক্রি করছেন। উপজেলার কালু পাড়া গ্রামের হারুনুর রশিদ বলেন,, গত বছর প্রতি মন পাক বিক্রি করেছি দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। এই বছর পাট বিক্রি করেছি ৩৫০০ টাকা থেকে ৪০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ জমিতে পাট কেটে আঁটি বেঁধে রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও কৃষকরা পাটের আঁটি পানিতে জাগ দিচ্ছেন, আবার কোথাও জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে শুকানোর প্রস্তুতি চলছে। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্যান্য ফসলের তুলনায় পাট চাষে খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও এবার ফলন ভালো হওয়ায় সেই খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখার আশা করছেন তারা।
ঘোড়াঘাট উপজেলার এক পাটচাষি বলেন, “এবার জমিতে পাট বেশ ভালো হয়েছে। গাছের উচ্চতা ও আঁশের মানও ভালো। ফলন ভালো হওয়ায় আমরা খুশি। এখন বাজারে যদি ভালো দাম পাওয়া যায়, তাহলে পাট চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।”আরেক কৃষক বলেন, “পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়াতে শ্রমিক খরচ অনেক। তারপরও এবার ফলন ভালো হওয়ায় আশা করছি খরচ বাদ দিয়ে কিছুটা লাভ থাকবে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান বলেন, “চলতি মৌসুমে আবহাওয়া পাট চাষের জন্য বেশ অনুকূল ছিল। ফলে অনেক এলাকায় ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকদের পাট কাটার সঠিক সময়, জাগ দেওয়ার পদ্ধতি এবং আঁশের মান ভালো রাখার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
কৃষকরা বলছেন, পাটের বাম্পার ফলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, উৎপাদন খরচ কমানো এবং বাজারে স্থিতিশীল ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এসব ব্যবস্থা করা গেলে ঘোড়াঘাটে পাট চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে। তাই উৎপাদনের পাশাপাশি পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
ঘোড়াঘাটে পাটের বাম্পার ফলন, পাটের দামে খুশি চাষিরা
ঘোড়াঘাট প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে চলিত মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং জমিতে পর্যাপ্ত আদ্রতা থাকায় এবার পাটের ফলন ভালো হযয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। এবার পাটের দামে খুশি চাষিরা। ভালো দাম পেয়ে, খুশি পাট চাষিরা। এতে তাদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায় একটি পৌরসভা চারটি ইউনিয়নে ১৫০ হেক্টর জমিতে দেশীয় তোষা জাতের পাটের চাষ করেছে কৃষকরা। হেক্টর প্রতি গড় ফলন নির্ধারণ করা হয়েছে ও ১১.৯ বেল্ট। ১৫০ হেক্টর জমি থেকে পাটের উৎপাদন নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২৬ বেল্ট। যা গত বছরের তুলনায় পাটের গড় ফলন ছিল ১০.৬ বেল্ট। ও ১২৫ হেক্টর জমিতে পাটের পাটের উৎপাদন ছিল ১৫. ১৩ বেল্ট।
কৃষকরা পাট কাটা, পানিতে জাগ দেয়া, আশ ছাড়ানো শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বর্তমানে অনেকেই বাজারে বিক্রি করছেন। উপজেলার কালু পাড়া গ্রামের হারুনুর রশিদ বলেন,, গত বছর প্রতি মন পাক বিক্রি করেছি দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। এই বছর পাট বিক্রি করেছি ৩৫০০ টাকা থেকে ৪০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ জমিতে পাট কেটে আঁটি বেঁধে রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও কৃষকরা পাটের আঁটি পানিতে জাগ দিচ্ছেন, আবার কোথাও জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে শুকানোর প্রস্তুতি চলছে। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্যান্য ফসলের তুলনায় পাট চাষে খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও এবার ফলন ভালো হওয়ায় সেই খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখার আশা করছেন তারা।
ঘোড়াঘাট উপজেলার এক পাটচাষি বলেন, “এবার জমিতে পাট বেশ ভালো হয়েছে। গাছের উচ্চতা ও আঁশের মানও ভালো। ফলন ভালো হওয়ায় আমরা খুশি। এখন বাজারে যদি ভালো দাম পাওয়া যায়, তাহলে পাট চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।”আরেক কৃষক বলেন, “পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়াতে শ্রমিক খরচ অনেক। তারপরও এবার ফলন ভালো হওয়ায় আশা করছি খরচ বাদ দিয়ে কিছুটা লাভ থাকবে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান বলেন, “চলতি মৌসুমে আবহাওয়া পাট চাষের জন্য বেশ অনুকূল ছিল। ফলে অনেক এলাকায় ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকদের পাট কাটার সঠিক সময়, জাগ দেওয়ার পদ্ধতি এবং আঁশের মান ভালো রাখার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
কৃষকরা বলছেন, পাটের বাম্পার ফলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, উৎপাদন খরচ কমানো এবং বাজারে স্থিতিশীল ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এসব ব্যবস্থা করা গেলে ঘোড়াঘাটে পাট চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে। তাই উৎপাদনের পাশাপাশি পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক : একরামুল হক বেলাল
ঢাকা অফিস-২২,মা ভিলা ,পূর্ব তেজতুরী বাজার,ফার্মগেট-১২১৫,
ইমেইল-spnews17@gmail.com
রেলওয়ে পার্ক,পার্বতীপুর,দিনাজপুর। ০১৭১২৩৭০৮০০
© 2026 Songbad Protikkhon-Spnewsbd. All rights reserved.