স্টাফ রিপোটার বগুড়াঃ বগুড়ার দুপচাঁচিয়া হতে এক সন্তানের জননীকে সু কৌশলে অপহরণ পরে কাজীর দ্বারা বিয়ে রেজিষ্টি বরের পরিবারের বড় বোনের মাধ্যমে মামুক্তিপ দাবী করেন শালিশ বৈঠকে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫ জুলাই ২০২৬ইং তারিখ এরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে এক শালিস বৈঠকে ছেলের পরিবার থেকে তার বড় বোন ১ লাখ ঠাকা মুক্তিপন দাবী করে। ঘটনার বিস্থারিত নিম্মে দেয়া হলো।
সাং ভালি থানাঃ দুপচাঁচিয়া। জেলাঃ বগুড়া মেয়টির ছদ নাম মিম (১৮) পিতা মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন আপনার দপ্তরে হাজির হইয়া এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে আমাকে গত ২৭/০৬/২৬ইং তারিখে আমার বাড়ীর সিমানার অদুরে থেকে অজ্ঞাত নামা ফোন নম্বর থেকে কল দিয়ে বলে যে তোমার বাবা তোমার ছেলেকে মেরে ফেরা হবে যদি তুমি আমার কথামত আমাদের সাথে চলে না আসো। তখন কিছু সময়ের মধ্যে একটি সিএনজি যোগে আসামীরা হচ্ছে ১। মোঃ সিয়াম বাবু (১৬) পিতা মোঃ রফিকুল ইসলাম ২। বাবুর বড় বোন মোছাঃ পপি খাতুন (৪০) স্বামী মোঃ মাসুদ ৩। মোঃ মুন্না (২৬) পিতা রফিকুল ইসলাম সর্বসাং রঘুনাথপুর দক্ষিণ পাড়া এরুইল ইউনিয়ন, থানা বগুড়া সদর, জেলাঃ বগুড়া ৪। মোছাঃ জান্নাতী খাতুন স্বামী ঃ মোঃ ফারুক হোসেন ৫। মোঃ আনিসার রহমান পিতা মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ৬। মোঃ সুজন (৩০) পিতা মোঃ হারুনুর রশিদ। ৪,৫,৬ নং সর্ব গ্রাম থলপাড়া, থানা কাহালু জেলা বগুড়াগণ বে আইনী ভাবে দলবদ্ধ হইয়া আমাকে অপহরন করার উদ্দেশ্যে দুপচাঁচিয়া উপজেলার ভালী গ্রামে আসে। আমার প্রতিবেশীর মোবাইল ফোনে কল দিয়ে বলে তুমি একটু বাহিয়ে আসো তোমার সাথে কথা আছে সে সুবাদে আমি তাদের সাথে দেখা করতে বাড়ীর পাশে আসা মাত্র আমার নাক মুখে একটি রুমাল দিয়ে কি যেন ধরে নিশ্বাস নিতেই আমি আর কিছু বলতে পারি নি শুধু দেখতে পাচ্ছি তারা আমাকে সিএনজি তে তুলে অজ্ঞাত নামা স্থান দিয়ে বগুড়া এরুলিয়া রঘুনাথপুর তাদের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাতে একটি ঘরে আবদ্দ করে রাখে। রাত অনুমান রাত ১ টার দিকে আমি চেতনা ফিরে পেয়ে দেখি আমার সাথে সিয়াম বাবু ছাড়া আর কেউ ঘরে নেই সে একাধিকবার আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে ধর্ষণ করে। পরে আমার গলায় হাত দিয়ে দেখি আমার চার আনি ওজনের বিদেশী সোনার চেইন ১টি ও আমার কানের সোনার তিন আনা ঝোমকা দুল নেই তা তার বড় বোন রাতের কোন এক সময় খুলে নিয়ে গেছে। পরের দিন সকালে তার বোন একজন হিজড়াসহ অন্যান্য আসামীরা এসে বলে তোমাকে কাম সাড়া করেছে তুমি সিয়াম বাবুর সাথে বিয়ে হয়ে ঘর সংসার করো। পরে তারা একজন কাজী ডেকে ১০০,০০০/-(এক লক্ষ টাকা দেন মহোরানা ধার্য় করিয়া বিবাহ রেজিষ্টি করে। তার পরে সকল আসামীরা মিলে বগুড়া কোটে নোটালী পাবলিকে এফিডেফিড করেছে। আমাকে তারা জোর করে সহি স্বাক্ষর নিয়ে এগুলি করে। আমি ১০/১৫ দিন আমাকে মোবাইল ফোন তারা হাতে দেন নি। আমি আমার দুলাভাইকে একটি টেকস মেসেজ দিয়ে অণ্যের সাহায়্যে চিঠি রিখে আমাকে উদ্ধার করার জন্য বললে আমার বাবা কাহালু থানায় আমার স্বামীর মাধ্যমে একটি অভিযোগ দিয়ে আসেন তার পরেও থানা পুলিশ কোন কাজ না করার কারনে কাহালু ও দুপচাঁচিয়া এলাকার সাংবাদিকগণ মিলে বগুড়া এরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যোনের মাধ্যমে শালিস করে আমাকে গত ১৫/০৭/২০২৬ইং তারিখে উদ্ধার করে। ইউনিয়ন পরিষদে তারা আমার বাবার কাছে থেকে আবার ১০০,০০০/- (এক লক্ষ টাকা) মুক্তিপন দাবী করে। আমার বাবা কোন টাাকা দিতে পারবে না বলায় তারা আমাকে আমার মা ও বাবাকে ইউনিয়ণ পরিষদের গেটের সামনে বাটাম লাঠি দিয়ে মারপিট করে আমার বাবার পকেটে থাকা ১০,০০০/- (দশ) হাজার টাকা নগদ ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আসামীরা একটি বড় ধরনের সংঘবদ্ধ অপহরণ কারী । সে সময় বাজার এলাকার লোকজন দৌড়ে এলে তারা পালিয়ে যায় আমি সহ আমার মা-বাবা ৩ জন একটি অটো চালক চাচার নাম অজ্ঞাত সে প্রত্যক্ষদশি তার অটোতে করে কাহালু থানা হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করে সন্ধার পরে বাড়ী তে আসি। আমি দুপচাঁচিয়া এসে আবার হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করে সুস্থ্য হয়ে অভিযোগ দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে কল করা হলে ভুক্তভুগি ভিকটেম জানান তিনি একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার বরাবর র্যাব স্বরাস্ট মন্ত্রণালয়সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নকিট তিনি আরও কানান তিনি ন্যায় বিচার পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেণ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : একরামুল হক বেলাল
ঢাকা অফিস-২২,মা ভিলা ,পূর্ব তেজতুরী বাজার,ফার্মগেট-১২১৫,
ইমেইল-spnews17@gmail.com
রেলওয়ে পার্ক,পার্বতীপুর,দিনাজপুর। ০১৭১২৩৭০৮০০
© 2026 Songbad Protikkhon-Spnewsbd. All rights reserved.