
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে সারদিন থেমে থেমে বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ধানবান্ধি মহল্লার জি.এম হিলালি রোড, জেসি রোড এবং বি.এল স্কুল রোডের আশপাশের বিভিন্ন বসতবাড়ি। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এ অঞ্চলের মানুষ।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী পৌর কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে বলেন, ধানবান্ধি বিআইডাব্লিউটিএ’র সামনে পুকুর ভরাট, জেসি রোড ও জিএম হিলালী রোডের পাশের ড্রেন দিয়ে কাটাখালিতে পানি নিস্কাশনের পথে আবর্জনা এবং মাটি ভরাট থাকায় এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়াও মান্নান তালুকদারের মোড়ে ত্রুটিযুক্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারনে পুরো এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতার শিকার হতে হচ্ছে।
এদিকে জলাবদ্ধতার কারণে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে স্থানীয়দের। কোমলমতি শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে স্কুলে যেতে যেতে পারছে না। অপরদিকে ড্রেনের নোংরা পানি বসতবাড়িতে ঢুকে ডেঙ্গু মেলেরিয়াসহ পরিবেশ মারাত্বকভাবে দুষিত হচ্ছে ।
ধানবান্ধি জেসি রোডের বাসিন্দা মির্জা মোস্তফা জামান বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই আমার বাড়ীর বাহিরে এবং ভিতরের অবস্থা খুবই খারাপ। এরকম ধানবান্ধি মহল্লার জি.এম হিলালি রোড, জেসি রোড এবং বি.এল স্কুল রোডের একই অবস্থা। শুধুমাত্র জেসি রোড এবং আমার বাড়ী সংলগ্ন বিআইডাব্লিউটিএ'র সামনে পুকুর ভরে যাওয়া ও মান্নান তালুকদার এমপির মোড়ে ড্রেন হয়ে নবদ্বীপ পুল হয়ে কাটাখালি পানি নিষ্কাশনের পথে বিভিন্ন জায়গায় ড্রেনের মধ্যে মাটি ও আবর্জনা থাকায় এবং জি.এম হিলালি রোড, জেসি রোড এবং মান্নান তালুকদারের মোড়ে ড্রেনের পানির লেভেল ঠিক না করে ড্রেন করায় উল্টো পানি আমাদের এলাকায় আসায় আমরা বন্যা না হওয়ার পরও সামান্য বৃষ্টির কারনে জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছি। এমতাবস্থায় তিনি পৌরসভার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবী জানান ।
এই এলাকার ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে ত্রুটিপূর্ণ ড্রেন পূণ:নির্মাণ ও ভরাট হওয়া পুকুর খননসহ পানি নিঃস্কাশনের ব্যবস্থার জোর দাবি জানান।
এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (জনশক্তি ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ) শাহাদাত হুসাইন বলেন, বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি। এ সমস্যা বহুদিনের তবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : একরামুল হক বেলাল
ঢাকা অফিস-২২,মা ভিলা ,পূর্ব তেজতুরী বাজার,ফার্মগেট-১২১৫,
ইমেইল-spnews17@gmail.com
রেলওয়ে পার্ক,পার্বতীপুর,দিনাজপুর। ০১৭১২৩৭০৮০০
© 2026 Songbad Protikkhon-Spnewsbd. All rights reserved.