
দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি শিপিং লাইনের কনটেইনার আটকে থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে বন্দরের জায়গা দখল হয়ে থাকায় দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ সূত্রে জানা গেছে, প্রতি মাসে উম্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে গড়ে ২০ থেকে ৩০ টি কন্টেইনারের পণ্য বিক্রি করা হয়। বিডারদের উপস্থিতিতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে এসব নিলাম পরিচালিত হয়। নিলামে কমলা, মাল্টা, খেঁজুর, আদা সহ বিভিন্ন ধরনের পঁচনশীল পণ্য থাকে। এছাড়া কিছু কন্টেইনারের পণ্য ই-অকশনের মাধ্যমেও বিক্রি করা হয়।
তবে বর্তমানে বন্দরের বিভিন্ন শেডে নিলামের অপেক্ষায় রয়েছে ২,৭৪৮ টি ২০ ফুট এবং ৬,৬১৮ টি ৪০ ফুট কন্টেইনার। এসব কন্টেইনারের পণ্য দিনের পর দিন অপেক্ষমান অবস্থায় পড়ে থাকায় ধীর ধীরে নষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য কমোডর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, বন্দরের মোট ধারণক্ষমতার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ জায়গা সব সময় নিলামযোগ্য কনটেইনার দখল করে থাকে। এগুলো সরানো গেলে নতুন আমদানি-রফতানি পণ্য রাখার জন্য বড় পরিসরের জায়গা তৈরি হবে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা গেছে, ২ হাজার ৬৯৭টি কনটেইনার নিলামের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হলেও এর মধ্যে ১ হাজার ৬১৯টির নিলামের অনুমোদন পাওয়া গেছে। গত বছর ৪৯৩টি এবং চলতি বছরে আরও ৪৯৫টি কনটেইনার নিলাম শেষে বিডারদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় বছরে ৯৮৮টি কনটেইনার খালাস করা সম্ভব হয়েছে। তবে এরই মধ্যে নিলামের তালিকায় নতুন করে আরও কয়েকশ কনটেইনার যুক্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন বলেন, নির্দিষ্ট আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করেই নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। ফলে প্রক্রিয়াগত কারণে কিছুটা সময় লাগলেও কনটেইনার নিলাম ও খালাসের কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ গতিতে কাজ করা হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : একরামুল হক বেলাল
ঢাকা অফিস-২২,মা ভিলা ,পূর্ব তেজতুরী বাজার,ফার্মগেট-১২১৫,
ইমেইল-spnews17@gmail.com
রেলওয়ে পার্ক,পার্বতীপুর,দিনাজপুর। ০১৭১২৩৭০৮০০
© 2026 Songbad Protikkhon-Spnewsbd. All rights reserved.