শনিবার- ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ -২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ English Version

লোহাগড়ায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সুবিধাভোগীদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

লোহাগড়ায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সুবিধাভোগীদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শরিফুল ইসলাম নড়াইল : নড়াইলের লোহাগড়ায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সুবিধাভোগীদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে রবিবার(৩১ জুলাই) বিকালে সুবিধাভোগীদের ব্যতিক্রম এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গত ঈদ-উল- আজহা উপলক্ষে দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ভি,জি,এফ কর্মসূচীর আওতায় ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত পাঁচ দশমিক চুয়াল্লিশ মেঃটন চাউল বিতরণের সুবিধাভোগীরা এ সমাবেশের আয়োজন করে।

দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ নুরুল ইসলাম জানান, গত ঈদ-উল- আজহা উপলক্ষে দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ভি,জি,এফ কর্মসূচীর আওতায় ত্রাণ মন্ত্রণালয় পাঁচ দশমিক চুয়াল্লিশ মেঃটন চাউল বরাদ্দ দেয়। গত ৬ জুলাই বরাদ্দ পেয়ে ৭ জুলাই ৯টি ওয়ার্ডের দরিদ্রদের ডেকে এনে মেম্বর ও সরকারি তদারকী কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মাথাপ্রতি দশ কেজি করে ৫৪৪জন দরিদ্রকে মোট ৫৪৪০ কেজি চাউল বিতরণ করা হয়।

সূত্র জানায়, ঈদ পরবর্তী দু-তিন সপ্তাহ পর দিঘলিয়া এলাকার কয়েকজন ব্যাক্তি দিঘলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ সৈয়দ বোরহান উদ্দিনের বিরুদ্ধে গোপনে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বরাদ্দকৃত চাউল বিতরণে অনিয়মের কথিত অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালায়। এ মিথ্যা অপপ্রচারের ফলে ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান, মেম্বর, সচিব ও সরকারী তদারকী কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। পরিষদের দায়িত্বরতদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ সহ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সুবিধাভোগীরা সমাবেশের আয়োজন করে।

সমাবেশে সুবিধাভোগী দিঘালিয়া দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা আজাদ শেখ(৫০) বলেন, দিঘলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ সৈয়দ বোরহান উদ্দিন স্বচ্ছভাবে দরিদ্রদের মাঝে চাউল বিতরণ করেছেন। এর আগে কোন চেয়ারম্যান এতো সুন্দরভাবে চাউল বিতরণ করেতে পারেননি। তাই কতিপয় দুষ্টু লোক চেয়ারম্যানের মানসম্মান ক্ষুন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বর শিবনাথ বলেন, চেয়ারম্যান সরকারি চাউল দেয়া ছাড়াও সাধারণ মানুষদের নিজ পকেটের নগদ টাকা দিয়েছেন।

১নং ওয়ার্ডের মেম্বর জামাল খান বলেন, আমিসহ বেশিরভাগ মেম্বর উপস্থিত থেকে দরিদ্রদের চাউল দিয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়। সরকারি বরাদ্দকৃত চাউল দেবার পর উপস্থিত আরো তিন-চার শতাধিক দরিদ্রদের নিজ পকেটের নগদ টাকা দিয়েছেন চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যান অল্পদিনে বেশ উন্নয়ন কাজ করাসহ সুনাম অর্জন করেছেন তাই তার মানসম্মান ক্ষুন্ন করতে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।

৭নং ওয়ার্ডের মেম্বর মানিক শেখ বলেন, সরকারি বরাদ্দ ছিলো অনেক কম। তারপরও সরকারি চাউল দেবার পর পরিষদে উপস্থিত শত শত দরিদ্রদের নগদ টাকা দিয়েছেন চেয়য়ারম্যান। অথচ কতিপয় লোকে ইচ্ছে করেই চেয়ারম্যানের সকল ভালো কাজের মান নষ্ট করতে অপপ্রচারে নেমেছে।

২৮ বার ভিউ হয়েছে
0Shares