শনিবার- ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ -২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ English Version

লালমনিরহাটে হিন্দু কূর্শীনামা আইনে বিধুবা সম্পত্তির মালিক না 

লালমনিরহাটে হিন্দু কূর্শীনামা আইনে বিধুবা সম্পত্তির মালিক না 

লালমনিরহাট প্রতিনিধি। হিন্দু কূর্শীনামা মূলধনী আইনে বিধুবা সম্পত্তির মালিক না বর্ণনাকারীর মূলধনী শোভারাণী পাল। ঘটনাটি লালমনিরহাটের বড়বাড়ির শিবরাম গ্রামে। কুর্শীনাশা মুলধনী সুত্রে শোভারাণী পাল বিবাহের পর তাহার স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের মাধ্যমে কতক সম্পত্তি অর্জন করেন।হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী উক্ত সম্পত্তি অযৌক্তিক শ্রেণীর স্ত্রীধন সম্পত্তি। ডি এফ মুল্যাহ প্রণীত হিন্দু ল এর ১৫৭ ধারায় বলা আছে যে, এই ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে মুলধণী শোভারাণীর মৃত্যুর পর তাহার ত্যাক্ত সম্পত্তি জীবিত তিনপুত্র তুল্যাংশে ( উপরের সারণী অনুযায়ী)  /৪ পাই অংশে প্রাপ্ত হইবেন। যেহেতু কন্যারা সেই সময়ে সকলেই বিবাহিত ছিলেন এবং অন্য দুই পুত্র মৃত্যুবরন করিয়াছেন সেজন্য তাহারা কেহই শোভারাণীর ত্যাক্ত সম্পত্তির মালিক হইবেন না। কিন্ত কিছু প্রভাবশালীদের কুচক্রে বিধুবা রিতা রাণী জমির অংশ দাবি করেন এবং বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দাখিল করে হয়রানি করেন। মুলতঃ সে হিন্দু কূর্শীনামা মুলধনী হিসেবে অংশ প্রাপ্ত নহে। এদিকে অধ্যাপক বিমল কৃষ্ণ পাল বড়বাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি বলেন, আমার ছোটভাই কানাই চন্দ্র পাল কর্তৃক বাড়ীর সম্মুখের গোডাউন বৈঠক খানাসহ পিছনের দেয়াল দ্বারা ঘেরাও করে নেয় এবং ঘরের চাবি চাইলে অস্বীকৃতি জানায়। এব্যাপারে রিতা রাণীর সাথে মোবালে জানতে চাইলে তিনি জানান, ওয়ারীশ সুত্রে আমি জমির অংশ পাবো। একই ভাবে বিমল চন্দ্র পাল,কানাই চন্দ্র পাল,নিমাই চন্দ্র পাল জানান রিতা রাণী  কোন জমির অংশ পাবে না। বড়বাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জানান, দুই পক্ষের অভিযোগ পেযেছি তদন্ত চলছে।
২৪ বার ভিউ হয়েছে
0Shares