
মধুখালীতে পেঁয়াজের ব্যাপক আমদানি

শাহজাহান হেলাল,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি ২৭ মার্চ বুহস্পতিবার ;; ফরিদপুরের মধুখালীর বিভিন্ন হাটে পেঁয়াজ নিয়ে ভিড় করছেন চাষীরা। এবার পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে।উপজেলার মধুখালী পৌরসদরের সবচেয়ে বড় বাজার শুক্রবার ও সোমবার দুদিন জমে পেঁয়াজের হাট।এ হাটে উপজেলার বাগাট, নওপাড়া, কোরকদী,মেগচামী, জাহাপুর,রায়পুর,কামালদিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে পেঁয়াজ নিয়ে বিক্রয় করেন চাষীরা।
মৌসুমে প্রতি হাটে মধুখালী থেকে ২৫ থেকে ৩০ জন আড়ৎদারের ঘর থেকে প্রায় শত হাজার মণ পেঁয়াজ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার চাহিদা মিটাতে বরিশাল,খুলনা জেলার ব্যাপারীরা খরিদ করে নিয়ে যান। প্রতি মণ পেঁয়াজ ১হাজার থেকে ১১শ টাকা পর্যন্ত পাইকাররা কিনছেন। যা খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৪০টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
মধুখালী বাজারের আড়ৎদার মোঃ আতিয়ার মোল্যা বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজের প্রচুর আমদানি হয়েছে। দাম আরও পরে বাড়তে পারে।
বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা একাধিক কৃষক বলেন, মণ প্রতি খরচ করেছি এক হাজার থেকে ১১শ টাকা তা পাচ্ছি না। যে দামে বিক্রি করছি তাতে আমাদের কৃষি কাজ করে জীবন চালানো কষ্টকর। ঈদকে সামনে রেখে টাকার আশায় অনেকে নিরুপায় হয়ে এ দামেই বিক্রি করছি।
কামালদিয়া গ্রামের কৃষক মো. মুহিদ বলেন, প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ করি লাভের আশায় কিন্তু এ বছরেও দাম কম। তিনি জানান, প্রতি শতাংশ জমিতে প্রায় ১৫শ থেকে ২হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি শতাংশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় দুই মণ। বাজারে বর্তমান দামে লোকসান না হলেও লাভ চোখে পড়ছে ন,উপজেলা রায়পুর ইউনিয়নের ব্যাসদী গ্রামের পেঁয়াজ চাষী মোঃ রাসেল আহমেদ বলেন এ বছর এক একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। ফলন ভাল হয়েছে। লাভ হবে আশা করছি । এখন জমি থেকে পেঁয়াজ তুলে বাড়ীতে আনতে শুরু করেছি। ভালই ভাল ঘরে তুলতে পারলেই ভাল।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছেু চলতি ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে মধুখালীতে মোট মুড়িকাটা, দানা এবং হালিসহ সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৫শ হেক্টর ধরা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৩ হাজার ৪শ ৫০ হেক্টর।