শুক্রবার- ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ -২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ English Version

ভোলার বোরহানউদ্দিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন এনপি অফিসের সাইনবোর্ড উধাও

ভোলার বোরহানউদ্দিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন এনপি অফিসের সাইনবোর্ড উধাও

ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার বোরহানউদ্দিনের বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি অফিসের সাইনবোর্ড উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুইদিন ধরে রাতের আধারে একদল র্র্দুবৃত্তরা সাইনবোর্ড গুলো ছিড়ে এবং ভেঙ্গে ফেলছেন।
সরজমিনে দেখা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ভোলা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহীম ও সাবেক ছাত্রনেতা ও সহকারী এটর্নি জেনারেল এড. এবি এম ইব্রাহিম খলিলের ছবি সম্বলিত জনতাকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়ে-বোরহান উদ্দিনের বিভিন্ন ইউনিয়নে, দুই দিন যাবৎ রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতিকারী ব্যানার ও সাইবোর্ড গুলো ছিড়ে ফেলছেন। দিনে স্থাপন করলে গভীর রাত হলে তা ভেঙ্গে চুরে রাস্তা, বাগান ও পানিতে পরে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার গভীর রাতে বোরহান উদ্দিন উপজেলা থেকে দুটি মোটর সাইকেলে ৪ জন যুবক এসে পলিটেকনিক, কুঞ্জেরহাট বাজার পর্যন্ত সকল অফিস ও গুরুত্ব পুর্ন স্থানের ব্যানার-সাইনবোর্ড গুলো ভেঙ্গে ও ছিড়ে ফেলে চলে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের অফিসের ব্যানার দুষ্কৃতীকারীরা ভেঙ্গে ফেলে।
ওই সময় স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে তারা জানানা, উপজেলা নেতৃবৃন্দের নির্দেশ আছে। তবে তাড়া কোন দলের বা কারা তা স্থানীয়রা জানেননা।
উপজেলা বিএনপি, ছাত্র, যুব, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা জানান, যেখানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াাউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিমের ছবি থাকার পরও ব্যানার ছড়ে এবং সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলা দু:খজনক ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। যারা এগুলো করছেন তারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃস্টির পায়তারা করছেন। আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে এহেন ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকার আহবান জানাই। নচেৎ ভবিষ্যতে এর পরিনাম অনে খারাপ হবে।
এই বিষয়ে এড. এবি এম ইব্রাহিম খলিল জানান, আমি ঢাকার মোহাম্মদপুর, সদর ঘাট, কেরানীগঞ্জ, সুপ্রিম কোর্ট, জজকোট ও ভোলা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির অফিসে সাইনবোর্ড ঝুলাই। আমি দীর্ঘ ১৭ বছর রাজ পথে আন্দোলন করা ছাত্রদলের নির্যাতিত কর্মী, ২০২১ সালে র‌্যাব আমাকে গুম করে, আইনজীবীদের প্রতিবাদে মুক্ত হই,আমার সকল কর্মকান্ড ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান অবগত। আমি ১৭ বছর দুঃসময়ে বোরহানউদ্দিনে বিএনপি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর পক্ষে প্রচারণা করি,পোস্টার ব্যানার লাগাই, তখন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাষনামলে আমি অনেক চোখ রাংঙ্গানী খেয়েছি। কিন্তু এখন বিএনপির পোস্টার, ব্যানার ও সাইনবোর্ড ভাঙ্গা দুঃখজনক। হয়তো কেউ ভুলে করছেন না হয় প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের কেউ এগুলো করছেন।
আসলে একজন আইনজীবীর প্রচারণা তার পেশাগত সমৃদ্ধির জন্য রাজনীতি করতে হবে বিষয়টি এরকম নায়। তবে আমাকে অকারণে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বানানো হচ্ছে,আমি স্থানীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে বিষয়টি বুঝানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি আরো জানান, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাষনামলে এড.এবি এম ইব্রাহিম খলিল ঢাকার রাজপথে ছিলেন, সে রমনা থানা ছাত্রদলের সহসম্পাদক, শাহবাগ থানা যুবদল আইন সম্পাদক,ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আইন বিষয়ক সদস্য ছিলেন। তিনি ভোলা ও ঢাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিনা ফিতে আইনী সেবা দিয়ে নেতা-কর্মিদের পাশে ছিলেন।

১৭ বার ভিউ হয়েছে
0Shares