শনিবার- ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ -২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ English Version

বুরুজবাগান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামে সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাথে গোপন বৈঠক

বুরুজবাগান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামে সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাথে গোপন বৈঠক

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা \ বুরুজবাগান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামে গ্রামের কাগজে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর তার অনুগত কয়েকজন শিক্ষক ও এমএলএসএসদের নিয়ে গোপন বৈঠক করেছে প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান। মমিনুর রহমানের প্রধান উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষকতা করছেন পিওন সাঈদ যোগদানের পর থেকে সাঈদ কোন দিন পিওনের দায়িত্ব পালন করেনি। এঘটানায় অন্যান্য পিওনদের মধ্যে উত্তে¡জনা বিরাজ করছে। শুধু তাই নয় ৫ই আগষ্টের পূর্বের প্রভাবশালী একজন নেতার ইঙ্গিতে বিদ্যালয়ের সকল কর্মকান্ড এবং শিক্ষকদের যেভাবে তুচ্ছ তাচ্ছিল করা হত বর্তমানে এ দায়িত্বটিপালন করেছন পিওন সাঈদ। প্রধান শিক্ষকের রুমে কখনো অফিস রুমে বসে কম্পিউটার চালানো সহ সকল অবৈধ আয় ব্যয়ের হিসেব নিকাশ করা হয়। স¤প্রতি গত ২০ মার্চ বুরুজবাগান স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ ও চাকুরীতে যোগদানের অসংগতি অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সহকারী শিক্ষক আলী হোসেন ও পিওন সাঈদ স্কুলে গোপন বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে মমিনুর রহমানের প্রধান উপদেষ্টা পিওন সাঈদ বলেছে যে সকল ব্যাক্তিরা সাংবাদিকদের কাছে এধরনের তথ্য সরবরাহ করছে তাদের কে চিহ্নিত করা হবে। দীর্ঘ দিন যাবৎ একজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির দাপটে প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান শিক্ষকদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল, অবঙ্গা ইংঙ্কার করা, দূ-ব্যবসার সহ অসদাচরণ করে শিক্ষক সমাজকে কলুসিত করেছেন প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান। দীর্ঘ ৯ বছর শার্শা উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালিন হাসান বুক ডিপোর কাছ থেকে নিম্নমানের গাইড বই উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের নিকট বিক্রয় করে প্রতি বছর হাতিয়ে নিয়েছেন ৭০-৮০ লক্ষ টাকা। আখের গুছিয়েছেন নিজেই। সমিতি থেকে অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের এককালিন অনুদান দেওয়ার কথা থাকলেও, সে টাকাও আত্মসাথ করেছে ঐ প্রধান শিক্ষক। গত ৯ বছরে প্রায় ৬৫ জন শিক্ষক অবসরে গিয়েছেন। কিন্তু তাদেরকে সমিতি থেকে অবসর ভাতা দেওয়া হয়নি । সুচতুর প্রধান শিক্ষক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির ক্লাস ফ্রেন্ড হওয়ার সুবাদে নিজেকে ক্ষমতাধর জাহির করার জন্য আফিল শিক্ষা ভবন তৈরী করেন। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন না দিয়ে ২০ লক্ষ টাকা বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে উত্তে¡ালন করে ঐ জন প্রতিনিধিকে খুশি রাখার জন্য ভবনটি তৈরী করেন এবং ভবনের নামকরণ করা হয় আফিল শিক্ষা ভবন। অর্থ্যায়নে সংসদ সদস্য। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের একান্ত আস্থাভাজন প্রিয় ব্যাক্তিত্ব সহকারী শিক্ষক আলী হোসেনের মাধ্যমে সকল আয় ব্যায় ও ভূয়া ভাইচারের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা তোসরুপ করার রুপকার ও বলা যায়। প্রধান শিক্ষক তার অনুগত ঐ শিক্ষক ও পিওন এমএলএসএসদের নিয়ে গ্র“পিং করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে নিজেই প্রতিষ্ঠানের অর্থ লোপাট করার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার ভূয়া ভাউচারের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাথ করেছেন। শুধু তাই নয় আফিল শিক্ষা ভবনের পর নির্মান করে অডিটোরিয়াম এবং ছাত্র/ছাত্রী যাতায়াতের জন্য বাস ক্রয়ের কথা বলে ফান্ড থেকে ১০ লক্ষ টাকা ব্যায় দেখান হয়। অথচ বাস ক্রয় করা হয়নি। দীর্ঘ দিন স্কাউটস কমিটির উপজেলা সেক্রেটারী থাকার সুবাদে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ঐ প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান এর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানাই।

১৩৭ বার ভিউ হয়েছে
0Shares