
বারঘড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি ২০২২ গঠনে অনীহার অভিযোগ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি। লালমনিরহাট আদিতমারী উপজেলার বারঘড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠনে সভাপতি ও সুপারের অনীহার অভিযোগ তুলে গনস্বাক্ষরিত কপি দাখিল করেছেন মোঃ মোখলেছুর রহমান খানসহ প্রায় শতাধিক স্থানীয় এলাকাবাসী। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড ঢাকা,জেলা প্রশাসক লালমনিরহাট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আদিতমারীসহ বিভীন্ন সরকারী দপ্তরে এই অভিযোগ দাখিল করেছেন। মাদ্রাসার ছাত্র/ছাত্রীর অভিভাবকবৃন্দ,ক্যাচমেন্ট এলাকাবাসী ও পাশাপাশি অন্য গ্রামবাসী দাখিলকৃত অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, বারঘড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষে গত ০৯/৪/২০২২ ইং তারিখে দাতা সদস্য হওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা প্রদানেন নোটিশ প্রদান করেন। যাহার ব্যাংক হিসাব নম্বর ০০২০০৪৮৯৬। তৎপ্রেক্ষিতে ০৭/৪/২০২২ হতে ১০/৪/২০২২ ইং তারিখে ১১ জন দাতা সদস্য ২,২০,০০০/- টাকা ব্যংকে জমা প্রদান করেন। উক্ত টাকার মধ্যে ১,০৫,০০০/- টাকা চলমান কমিটির সভাপতি ও সুপার উত্তোলন করেন। এ সংবাদ জানতে পেরে অভিযোগকারীগন মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে সুপার মোঃ আবু জাহের এর নিকট টাকা উত্তোলনের বিষয় কারণ জানতে চাইলে তিনি উত্তরে বলেন, মাদ্রাসার কাজ হবে। কিন্তু অদ্যবধি কোন কাজ হয়নি অভিযোগে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য যে আগামী ১০/১০/২০২২ ইং তারিখে মাদ্রাসার নিয়মিত কমিটির ২০২০ খ্রীষ্টাব্দের মেয়াদ শেষ হবে। সে লক্ষে নিয়মিত ম্যনেজিং কমিটি ২০২২ খ্রীষ্টাব্দের নিয়মিত গঠনের নিমিত্তে দাতা সদস্য হওযার জন্য ২০ হাজার ব্যাংকে জমার নোটিশ দিলেও অন্যান্য কার্যক্রমের ব্যাপারে সুপার আবু জাহের উদাসিন ভুমিকা রাখছেন। ফলে অভিযোগকারীদের সন্দেহ হইতেছে যে, পুর্বের ন্যায় কয়েকবারের মতো এবারেও গোপনে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ গঠনের পাঁয়তারা অথবা কোন রহস্য চলছে।এমতাবস্থায় অভিযোগকারীরা মাদ্রাসার নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটির ২০২২ খ্রীঃ গঠনের প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম যথাসময় প্রকাশ্য পরিচালনাসহ ( নোটিশ প্রদান) সকল পদের সদস্যগনকে প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করিবার নিমিত্তে এই দাবি তুলে অভিযোগ করেন। এব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার মো আবু জাহের বলেন, উত্তোলনের ১,০৫,০০০ টাকা সভাপতি মাদ্রাসার আগের বারান্দা করার বাকি থাকায় তাকে দেয়া হয়েছে। নির্বাচন সমপন্ন না হতে টাকা উত্তোলনে নিয়ম বহির্ভুত কিনা জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দেননি। স্থানীয় সহিদার রহমান জানান, এই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা তার বাবা আব্বাস আলী। তারবাবা মৃত্য বরণ করার পর মাদ্রাসার বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা উন্নয়নতো দুরের কথা লুটপাটের রাজত্ব চলছে।এমনকি মাদ্রাসার অধীনে জমির ডাকের টাকারও কোন হদিস নাই। এব্যাপারে মাদ্রসার সভাপতি মোঃ আবু বক্কর এর সাথে কথা বলার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি মর্মে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এঘটনায় মাদ্রাসায় মারমুখী অবস্থার রুপ নিয়েছে। যে কোন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা জানান।
১ বার ভিউ হয়েছে