শনিবার- ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ -২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ English Version

<span class="entry-title-primary">নোয়াখালীর কবিরহাটে সম্পত্তির দ্ব›েদ্ব পিতাকে পিটিয়ে হত্যা</span> <span class="entry-subtitle">মেয়ে-মেয়ের জামাই ও নাতিসহ গ্রেফতার ৩</span>

নোয়াখালীর কবিরহাটে সম্পত্তির দ্ব›েদ্ব পিতাকে পিটিয়ে হত্যা মেয়ে-মেয়ের জামাই ও নাতিসহ গ্রেফতার ৩

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শায়েস্তানগরী,নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার উত্তর সুন্দলপুর গ্রামে সম্পত্তি নিয়ে দ্ব›েদ্বর জের ধরে মহিন উদ্দিন (৬০)নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তাঁর মেয়ে নাতী সহ ৩জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে কবিরহাট থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, নিহত বৃদ্ধের মেয়ে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সুন্দলপুর গ্রামের মুন্সি মিয়ার বাড়ির শাহিনা আক্তার (৩৭) ও তার স্বামী মোঃ নুরনবী ওরফে সুমন (৪০) ছেলে মোঃ ইউছুফ ওরফে শামীম (১৮)। বুধবার (১১ মে) ভোর রাতে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর সদর থানার সালনা এলাকা থেকে কবিরহাট থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। একই দিন দুপুর পৌনে ১টার দিকে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) শহীদুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার দিকে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের উত্তর সুন্দলপুর গ্রামে সম্পত্তি নিয়ে দ্ব›েদ্বর জের ধরে নুর নবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে তার মেয়ে, মেয়ের জামাই ও নাতিদের বিরুদ্ধে। নিহত মোঃ মহিন উদ্দিন (৬০) উপজেলার উত্তর সুন্দলপুর গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে।

এ ঘটনার পরের দিন সকালে নিহতের আরেক মেয়ে কবিরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামি করা হয় নুর নবী (৪০), নুর নবীর স্ত্রী শাহেনা আক্তার (৩৭) ও তাঁদের ছেলে মো.ইউছুফ ওরফে শামীম (১৮)। এ ছাড়া মামলায় নুর নবীর আরেক ছেলেকেও আসামি করা হয়। নুর নবী তাঁর পরিবার নিয়ে শ্বশুর বাড়িতেই বসবাস করতেন।

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে নিহত মহিন উদ্দিন ঘর জামাই নুর নবীর কাছে কিছু সম্পত্তি বিক্রি করেন। ওই সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে নুর নবীর সঙ্গে মহিন উদ্দিনের মতবিরোধ দেখা দেয়। এর জের ধরে মহিন উদ্দিনের সঙ্গে নুর নবী ও তাঁর ছেলেদের কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নুর নবী ও তাঁর ছেলেরা মহিন উদ্দিনকে মারধর করেন। এতে মহিন উদ্দিন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ির লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকে নুর নবী ও তাঁর পরিবারের সবাই পালিয়ে যায়।

বার ভিউ হয়েছে
0Shares

COMMENTS