
দুর্গাপুরে বিধবা স্ত্রীকে গুরুতর জখম ও শারীরিক প্রতিবন্ধী পুত্রকে মারধর

কলিহাসান,দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে স্বামী মৃত্যুর ৫মাস পরই স্ত্রী মনোয়ারা খাতুনর(৪২)কে আপন ভাই কর্তৃক পারিবারিক বিরোধের জের ধরে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও মারধর করে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল হাই(৫০) বিরুদ্ধে। চন্ডিগর ইউনিয়নের কেরণখলা গ্রামের মৃত ইমান আলীর পুত্র আব্দুল হাই,স্ত্রী নাছিমা খাতুন(৪২)মেয়ে সালমা খাতুন(২২),শ^শুর মোশারফ হোসেন(৬৫)কে বিবাদী করে দুর্গাপুর থানায় গত ১৮ই মে অভিযোগ দাখিল করছে ভুক্তভোগী। গত ১৭ মে দুপুর ১২টার দিকে ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে এ মারধরের ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ দাখিলের ৫দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে অভিযোগটির তদন্ত পাওয়ার ১দিন পরেই ৭দিনের ট্রেনিংয়ে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেণ দুর্গাপুর থানা পুলিশের এসআই শফিউল্লাহ। মনোয়ারা খাতুন ওই গ্রামের মৃত হাসিম উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি প্রায় ৫মাস পূর্বে মারা যান।
সরেজমিন ঘুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত রমজান মাসের ৩ তারিখে একই বিরোধ নিয়ে আব্দুল হাই কথাকাটাকাটির এক পার্যায়ে বেধড়ক মারধর করে মনোয়ারা খাতুনকে। তখনও মারধর ঘটনায় থানায় অভিযোগ দাখিল করলেও অভিযোগটি তদন্তে যান দুর্গাপুর থানা পুলিশের এসআই শফিউল্লাহ। কোনরকম অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে আপোষ-মিমাংসা করে দেন তিনি। কোন সঠিক বিচার পেলে পুনরায় মারধর করার সাহস পেত না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেণ ভুক্তভোগী মনোয়ারা খাতুন। ভুক্তভোগীর দাবী, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মারধর করে ঘরে রক্ষিত পুত্রকে বিদেশ পাঠানো সত্তর হাজার টাকা, স্বর্ণালঙ্কার,মোবাইল ফোন,বাড়ি ভাংচুর সহ ১লাখ ৪৫ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেছেন বলে তিনি জানান।
মারধর করে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠা আব্দুল হাই এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, মনোয়ারা খাতুন বোন হলেও সে অশৃঙ্খল মানুষ। সে কোন কথাবার্তা শুনে না। কথাকাটি হয়েছে,কিন্তু কোন মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি শিবিরূল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীকে মারধরের অভিযোগটি খুব গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।