
এমপিও নীতিমালা লঙ্ঘন করে চুক্তি ভিত্তিক প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

শার্শা(যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের শার্শায় ঐতিহ্যবাহি বিদ্যাপিট বুরুজবাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল অবকাঠামো এমপিও নীতিমালা ২০২১ লঙ্ঘন করে চুক্তি ভিত্তিক প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। যশোর জেলা আওয়ামলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্নু সহ ২০ জন এলাকার বিশিষ্ট ব্যাক্তি ও স্বচেতন নাগরিক স্বাক্ষরীত অভিযোগে জানা যায় বুরুজবাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহাবুদ্দিনের চাকুরী মেয়াদ শেষ হয় গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী/২০২২ ইং তারিখে। অথচ ঐ লোভি শিক্ষক চুক্তি ভিত্তিক প্রধান শিক্ষক হওয়ার জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক শীর্ষ নেতাদের অর্থৈর বিনিময়ে ম্যানেজ করে চুক্তি ভিত্তিক প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
এরই মধ্যে উক্ত বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির মেয়াদও শেষ হয়েছে গত ২৪/০৪/২০২২ ইং তারিখে। এডহক কমিটি তিন মাসের মধ্যে পরিচালনা পরিষদ নির্বাচন করে নিয়মিত কমিটি গঠন করার কথা ছিল। কিন্তু কমিটি গঠনের সময় প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দিন পক্ষ পাতিত্ব করার অভিযোগ উথাপিত হলে নিয়মিত কমিটি গঠন প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
এডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই সাবেক এই প্রধান শিক্ষক ১৯/০৪/২০২২ইং তারিখে বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে অনিয়ম তান্ত্রিক বাবে ১৮ হাজার টাকা বেতন ও ঈদ বোনাস নিয়েছেন ৭ হাজার ৮ শত টাকা যা বিধি সম্মত নয়। সুচতুর সাবেক প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত কালে এনটিআরসিএর অনুমোদন ব্যাতিরেকে নিজ ক্ষমতায় ২০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ১৭/১২/২০১৫ ও ২৭/১২/২০১৬ ইং সালে ২ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন যাহা বিধি বহির্ভূত। আগামীতে বুরুজবাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে ৪ জনকে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিশ্রæতি দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা।
যার ফলে নিলর্জের মত দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের পজিশন বরাদ্দ দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। অভিযোগে প্রকাশ অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তার পুঞ্জিভুত অপকর্ম থেকে রেহাই পেতে ও নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্য প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব হস্তান্তর না করে তিনি বহাল তবিয়তে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনৈতিক এবং শিষ্টাচার বহিভূত। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী, স্বচেতন অভিভাবক ও সুবিধাজনেরা অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এহেন কর্মকান্ডে বিতশ্রদ্ধার সাধারণ শিক্ষার পরিবেশ কলুষিত হওয়ায় জরুরী ভিত্তিতে তার অপসারন দাবী করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নারানচন্দ্র পাল এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।